kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

টাকার বিনিময়ে নকলের সুযোগ

চরফ্যাশনে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা

ভোলা প্রতিনিধি   

৪ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভোলার চরফ্যাশনে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে (বাউবি) এইচএসসি প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষায় টাকার বিনিময়ে নকলের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্র পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার চরফ্যাশন উপজেলার ফাতেমা মতিন মহিলা ডিগ্রি কলেজের বাউবি স্টাডি সেন্টার পরীক্ষাকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

পরীক্ষার্থী ও কেন্দ্রসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার কেন্দ্রটিতে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলমান এইচএসসি পর্যায়ের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা ছিল। ওই পরীক্ষায় বাধাহীনভাবে শিক্ষার্থীদের বই ও উত্তরপত্র দেখে লেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

কেন্দ্র পরিদর্শনের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকলেও হল পরিদর্শনে তাঁদের দেখা যায়নি।

এইচএসসি প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের একাধিক পরীক্ষার্থী অভিযোগ করে, পরীক্ষার প্রবেশপত্র নেওয়ার নামে শিক্ষক ও অফিস সহকারী জনপ্রতি দুই হাজার টাকা করে নেন। আর বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নের উত্তরপত্রের জন্য ২০০ টাকা এবং হল ম্যানেজসহ নকল করে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য আরো এক হাজার টাকা দিয়ে পরীক্ষা দিতে হচ্ছে তাদের।

নাম প্রকাশ করা হবে না জানালে এক পরীক্ষার্থী বলে, কলেজটির অফিস সহকারী হৃদয় ও শিক্ষক খোরশেদের দাবি করা টাকা দিতে না পারায় তাকে হলের সামনের বেঞ্চে একা বসিয়ে পরীক্ষা দিতে বাধ্য করা হয়েছে।

ওই কেন্দ্রের আরো একাধিক পরীক্ষার্থী জানায়, দুই হাজার টাকা না দেওয়ায় অফিস সহকারী হৃদয় অনেক পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র আটকে রাখেন। তখন শিক্ষক খোরশেদসহ সংশ্লিষ্টরা পরীক্ষার্থীদের দুই হাজার টাকা করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরীক্ষা শুরুর প্রথম দিন প্রবেশপত্র নেওয়ার সময় যারা টাকা দেবে তাদের এক পাশে এবং টাকা না দিলে তাদের আরেক পাশে দাঁড়াতে বলেন শিক্ষক খোরশেদ।

বর্তমানে ওই কেন্দ্র থেকে বাউবি এইচএসসি পর্যায়ে প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষে মোট ১১২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে।

অতিরিক্ত টাকা নিয়ে নকল করার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে জানতে শিক্ষক খোরশেদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। তবে অফিস সহকারী মো. হৃদয় দাবি করেন, ‘টাকা নেওয়ার বিষয়টি সত্য নয়। ’

 

 



সাতদিনের সেরা