kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

ছাত্রলীগের তিন নেতাকর্মী কারাগারে, তদন্ত কমিটি

সালথায় চাঁদাবাজির মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর   

২ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফরিদপুরের সালথায় কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়ার কথা বলে চাঁদা দাবির অভিযোগে ঠিকাদারের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার তিন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।  

তাঁরা হলেন সালথা উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ইমামুল খান (২৫), আবু মুসা ওরফে প্রিন্স মুসা (২২) এবং ছাত্রলীগ কর্মী জসীম মোল্যা (২০)।

এদিকে গতকাল দুপুরে উপজেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগটি খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রায়মোহন রায়।

বিজ্ঞাপন

ছাত্রলীগ সভাপতি জানান, অভিযুক্ত ছাত্রলীগের দুই সহসভাপতি এমামুল খান ও প্রিন্স মুসার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির বিষয়টি যাচাই করতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।   কমিটির সদস্যরা হলেন—উপজেলা ছাত্রলীগের অন্য দুই সহসভাপতি ফিরোজ খান রাজ, রনিছ খান মুন্না ও সাংগঠনিক সম্পাদক হেলাল হাসান। আগামী তিন দিনের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।  

মামলা সূত্রে জানা গেছে, সালথা কলেজ রোড এলাকায় রাস্তার কার্পেটিংয়ের কাজ করছে তাসা কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। গত বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে ওই কাজে ব্যবহৃত ট্রলি ঠেকিয়ে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন ৮-১০ জন তরুণ। চাঁদা না দেওয়ায় তাঁরা ট্রলিচালককে বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে পেটান এবং রাস্তার কাজ বন্ধ করে দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রলীগের তিন নেতাকর্মীকে আটক করে।  

এ ঘটনায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চঞ্চল গাইন নামের এক ব্যক্তি ওই তিন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ ৯ জনকে আসামি করে সালথা থানায় চাঁদাবাজির মামলা করেন। গত শুক্রবার বিকেলে ওই মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

 

 



সাতদিনের সেরা