kalerkantho

রবিবার । ৪ ডিসেম্বর ২০২২ । ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

বকশিশ নেওয়ায় ১৬ কর্মচারী বদলি

রংপুর অফিস   

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বকশিশের নামে রোগীদের হয়রানির অভিযোগে ১৬ জন কর্মচারীকে এক সঙ্গে বদলি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের আন্দোলনের মুখে গত মঙ্গলবার দুই দফায় এই বদলির আদেশ জারি করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। হাসপাতালের পরিচালক ডা. শরীফুল হাসান গতকাল বুধবার বিষয়টি কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অর্থোসার্জারি বিভাগের জুনিয়র কনসালট্যান্ট এ বি এম রাশেদুল আমিন মাকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে যান।

বিজ্ঞাপন

এ সময় ভর্তি ফি ২৫০ ও ট্রলি ফি ২০০ টাকা দাবি করেন কর্মচারী নেতারা। এই ঘটনায় ১৯ সেপ্টেম্বর ওই চিকিৎসক হাসপাতালের পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। পরে চুক্তিভিত্তিক তিন কর্মচারীকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

ওয়ার্ড মাস্টার আবুল হাসানকে ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে, পরিচ্ছন্নতাকর্মী হাছিনা বেগমকে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে, নিরাপত্তা প্রহরী রহমত আলীকে কিশোরগঞ্জের ইটনায়, স্টোনো টাইপিস্ট আব্দুল আলিমকে পটুয়াখালী সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বদলি করা হয়েছে।

সম্প্রতি ওয়ার্ড মাস্টার আবুল হাসান হাসপাতালের মালপত্র চুরির সময় উপপরিচালক মোকাদ্দেম হোসেনের কাছে হাতেনাতে আটক হন। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে দুটি এসি চুরির অভিযোগ রয়েছে।

অফিস সহায়ক আল-আমিনকে নেত্রকোনায়, হামিদুল ইসলামকে শেরপুরে, মোর্শেদ হাবিবকে টাঙ্গাইলে, শাহজাদা মিয়াকে রাজবাড়ীতে, আবু জাফরকে মাদারীপুরে, সিরাজুল ইসলামকে কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে, বিউটি আক্তারকে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট হাসপাতালে, ভানুরাম সরকারকে নবাবগঞ্জে, নুরুজ্জামানকে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে, রইচ উদ্দিনকে জগন্নাথপুরে, মোহিত আল রশীদ উদয়কে জামালপুরে এবং দুলাল বসুনিয়াকে পটুয়াখালীর গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করা হয়েছে।

রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. শরীফুল হাসান বলেন, ‘হাসপাতালে রোগীর হয়রানি ঘটনায় জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ’



সাতদিনের সেরা