kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

ধর্ষণের ঘটনায় চুরির মামলা

বাঙ্গরা বাজার থানায় তিন পুলিশ প্রত্যাহার

কুমিল্লা প্রতিনিধি   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার চাপিতলা গ্রামে এক গর্ভবতী গৃহবধূকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের ঘটনায় মামলা করতে গেলে পুলিশের বিরুদ্ধে প্রকৃত ঘটনার মামলা না নিয়ে চুরির মামলা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় কর্তব্য পালনে অবহেলার অভিযোগে তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি ইকবাল হোসেন। রবিবার বিকেলে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে ওই পুলিশ সদস্যদের জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।

বিজ্ঞাপন

তাঁরা হলেন প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে পুলিশের নেওয়া চুরির মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও বাঙ্গরা বাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওমর ফারুক, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আতাউর রহমান এবং কনস্টেবল মামুন হোসেন।

থানা পুলিশের সদস্য ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে মা ও ছোট সন্তানকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে মুখে স্কচ টেপ লাগিয়ে দেয় একদল দুর্বৃত্ত। এ সময় ওই গর্ভবতী নারীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করা হয়। এ ছাড়া তাঁর গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য পেটে লাথি মারা হয়।

 

ঘটনার পরদিন ১৬ সেপ্টেম্বর থানায় অভিযোগ করতে গেলে প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করে সাধারণ চুরির অভিযোগ নেওয়া হয়। এতে সময়ক্ষেপণের মাধ্যমে ঘটনার প্রধান আসামিকে পালিয়ে যেতে সহায়তার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী নারীর পরিবার জানায়, ঘটনার পর থানায় গেলে পুলিশ সদস্য ও থানার কম্পিউটার অপারেটর মামুন সঠিকভাবে অভিযোগ না লিখে চুরির অভিযোগ লিখে দেন। পরে এসআই ওমর ফারুক তদন্তে গিয়ে তাঁদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করেন। এসব অভিযোগ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে আত্মহত্যার হুমকি দেন ওই নারী। লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় জেলা পুলিশ সুপারের কাছে।

সোমবার দুপুরে বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি ইকবাল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘এক গর্ভবতী গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ ও ধর্ষণের ঘটনায় গাফিলতির কারণে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে ওই তিন পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। আমরা প্রকৃত ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছি। ’



সাতদিনের সেরা