kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১ ডিসেম্বর ২০২২ । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

চাটমোহর

১১ হাজার ভোল্টের তারের নিচে শতাধিক বাড়ি

ঝুঁকি নিয়ে বসবাস পাঁচ শতাধিক মানুষের

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১১ হাজার ভোল্টের তারের নিচে শতাধিক বাড়ি

চাটমোহরে ১১ হাজার ভোল্টের তারের নিচে টিনের বাড়ি। ছবি : কালের কণ্ঠ

পাবনার চাটমোহর উপজেলার ছাইকোলা (সরদারপাড়া) গ্রামের ওপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের ১১ হাজার ভোল্টের তারের নিচে গড়ে উঠেছে শতাধিক পরিবারের বাড়িঘর। এতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে এসব পরিবারের পাঁচ শতাধিক মানুষ।

পরিবারগুলোর অভিযোগ, গত নব্বইয়ের দশকে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করে পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাটির বেশির ভাগ মানুষ তখন এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন ছিল না।

বিজ্ঞাপন

বাড়িগুলোর দক্ষিণ পাশ দিয়ে সরকারি রাস্তা থাকলেও রাস্তার পাশ দিয়ে বিদ্যুতের লাইন নির্মাণ না করে লোকালয়ের ওপর দিয়ে বিদ্যুতের লাইনটি নির্মাণ করা হয়। পরে জনসংখ্যা বাড়তে থাকলে বিদ্যুতের লাইনের নিচেই ঘর নির্মাণ করতে বাধ্য হয় অনেকে। এখন ঘরবাড়ির ওপর বিদ্যুতের তার থাকায় কোনো গাছও লাগাতে পারে না তারা। লাইনের ১১ হাজার ভোল্টের তারে কোনো প্লাস্টিকের আবরণও নেই।

ছাইকোলা সরদারপাড়ার আতাহার সরদার বলেন, ‘আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ বছর আগে লাইনটি নির্মিত হয়েছে। তখন এর কুফল বুঝিনি; কিন্তু এখন কোনো কূলকিনারা পাচ্ছি না। সব সময় ভয়ে থাকি, কখন কী হয়ে যায়। ’ ওই এলাকার শহিদুল ইসলামের মেয়ে সুমি খাতুন বলেন, ‘টিনের ঘরের ওপর দিয়ে বিদ্যুতের তার যাওয়ায় আমরা সব সময় আতঙ্কে থাকি। ঝড়-বৃষ্টির সময় আতঙ্ক বাড়ে। ’ গৃহিণী রাজেদা খাতুন বলেন, ‘আমার ঘরের চাল ছুঁয়ে সাতটি ড্রপ তার গেছে। যেকোনো সময় বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। তারগুলো আমার টিনের চাল ছুঁই ছুঁই অবস্থা। যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটে গেলে কে দায়ী হবে। ’ বিদ্যুতের লাইনটি রাস্তার পাশে সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তাঁরা।

এ ব্যাপারে পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর জেনারেল ম্যানেজার আকমল হোসেন বলেন, বিদ্যুতের এ লাইন স্থানান্তরের জন্য কোনো তহবিল নেই। গ্রাহকরা লাইনটি স্থানান্তরের আবেদন করলে প্রকৌশলী পাঠিয়ে তদন্ত করে খরচের বিষয়টি গ্রাহকদের জানানো হবে। প্রয়োজনীয় টাকা জমা দিলে টেন্ডার প্রক্রিয়ার পর ঠিকাদারের মাধ্যমে লাইনটি স্থানান্তর করা হবে। সমিতির পক্ষ থেকে ভুক্তভোগীদের সম্ভব সব ধরনের সহায়তা করা হবে।



সাতদিনের সেরা