kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০২২ । ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

রাজবাড়ীতে সারের দাম দ্বিগুণ

বড়াইগ্রামে দোকানে তালা

রাজবাড়ী ও বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি   

১০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজবাড়ীতে এমওপি (পটাশ) সার দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। আর ইউরিয়াসহ অন্যান্য সার নির্ধারিত দাম থেকে কেজিতে চার-পাঁচ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে নাটোরের বড়াইগ্রামে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগে দোকান বন্ধ করে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে প্রশাসন।

রাজবাড়ীর সার ব্যবসায়ীদের দাবি, পটাশ সারের সংকটের কারণে দাম বেড়েছে।

বিজ্ঞাপন

আর পরিবহন খরচ বৃদ্ধির কারণে ইউরিয়াসহ অন্যান্য সারের দাম বেড়েছে। কৃষি বিভাগ বলছে, জেলায় কোনো সারের সংকট নেই। দাম বেশি রাখলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সরকার নির্ধারিত দামে কোনো সারই কিনতে পারছে না রাজবাড়ী জেলার কৃষক। পটাশ সারের সরকার নির্ধারিত দাম প্রতি কেজি ১৫ টাকা, কিন্তু সেই সার বিক্রি হচ্ছে ২৮ থেকে ৩০ টাকা কেজি। চাষিরা জানান, আমনের জমিতে সঠিক মাত্রায় পটাশ সার ব্যবহার করতে না পারলে ধানের ফলনে সমস্যা হবে।

ইউরিয়াসহ অন্যান্য সারও নির্ধারিত দাম থেকে কেজিতে চার থেকে ছয় টাকা বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। সরকার ইউরিয়া সারের দাম ২২ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও ২৫ থেকে ২৮ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। টিএসপি সারের দাম প্রতি কেজি ২২ টাকা হলেও বিক্রি হচ্ছে ২৬ থেকে ২৮ টাকা কেজি। তবে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এস এম শহীদ নূর আকবর বলেন, ‘জেলার পাঁচ উপজেলার কোথাও কোনো এমওপি সারের সংকট নেই। সার বেশি দামে বিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ’

এদিকে নাটোরের বড়াইগ্রামে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগে বনপাড়া বাজারে খুচরা কার্ডধারী সার বিক্রেতা ঈমান আলীর মেসার্স শততা স্টোরে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। স্থানীয় ক্রেতা আব্দুর রহিমের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল শুক্রবার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানার উপস্থিতিতে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হযরত আলী দোকানে তালা দিয়ে চাবি নিজ হেফাজতে নেন।



সাতদিনের সেরা