kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

কমিটি ঘোষণার পর কোন্দল প্রকাশ্য

রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি   

১৭ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কমিটি ঘোষণার পর কোন্দল প্রকাশ্য

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর প্রকাশ্যে এসেছে দলের কোন্দল। ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন না করার দাবি তুলছেন পদবঞ্চিত ব্যক্তিরা। এতে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন কয়েকজন পদধারী ব্যক্তিও।

নানা অভিযোগ তুলে ধরে গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটির পদবঞ্চিত ব্যক্তিরা।

বিজ্ঞাপন

উপজেলার বাহেরচর বাজারে অবস্থিত আব্বাস হাওলাদারের বাসভবনের নিচতলায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. কবির হোসেন তালুকদার।

তিনি বলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহমান ফরাজী সুকৌশলে দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাদের কমিটি থেকে পদবঞ্চিত করেছেন। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে তাঁর পছন্দের ৩৬ জন নেতাকে ইউনিয়ন কমিটির পদে রেখে আবার উপজেলা কমিটিতেও পদ দিয়েছেন। অর্থনৈতিক সুবিধার জন্য প্রবাসীও পেয়েছেন পদ। তিনি আরো বলেছেন, পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে যাঁদের রাখা হয়েছে, তাঁদের বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগ, জামায়াত ও জাতীয় পার্টি ঘরোনার। তাঁদের মধ্যে আওয়ামী লীগ ঘরোনার জাহাঙ্গীর তালুকদারকে সহসভাপতি, সুজাত তালুকদারকে ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পদক এবং মোতাহার মাসুমকে শ্রমবিষয়ক সম্পাদক করা হয়। জামায়াতের রাজনীতিতে জড়িত ওসমান গণিকে ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এবং জাতীয় পার্টি থেকে আসা রফিকুল ইসলামকে সদস্য করা হয়। এ ছাড়া দুইজন প্রবাসী ও ঢাকায় বসবাস করা সাতজনকে গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হয়। তাই অনতিবিলম্বে এ কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে ফের কমিটি গঠনের মাধ্যমে ত্যাগীদের মূল্যায়ন করার দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আবুল বশার হাওলাদার, আবুল হুদা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্বাস উদ্দিন হাওলাদার, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মহসিন উদ্দিন ও সহপ্রচার সম্পাদক বেল্লাল হোসেন প্রমুখ।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ মে উপজেলা বিএনপির সম্মেলন হয়। এতে আব্দুর রহমান ফরাজী সভাপতি ও সাজাদুল ইসলাম শামীমকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। ওই সম্মেলনের আড়াই মাস পর গত ১১ আগস্ট উপজেলা বিএনপির প্রস্তাবিত ১০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেয় জেলা বিএনপি। এ কমিটি ঘোষণার পর বর্তমান সভাপতি আব্দুর রহমান ফরাজী ও সাবেক সভাপতি কবির হোসেন তালুকদারের কোন্দল প্রকাশ্যে আসে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহমান ফরাজী বলেন, ‘পটুয়াখালী-৪ আসনের নেতা বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশারফ হোসেনের সঙ্গে আলোচনা করে ইউনিয়ন কমিটিগুলো হয়েছে। পরে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি হয়েছে। আমি সভাপতি পদে ২৪ ভোট পেয়েছি আর কবির তালুকদার ১১ ভোট পেয়েছেন। ’

তিনি জানান, উপজেলা কমিটির গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হবে। প্রটোকলে নিয়ম আছে সাবেক সভাপতিকে ১ নম্বর সদস্য করার।



সাতদিনের সেরা