kalerkantho

শনিবার । ১ অক্টোবর ২০২২ । ১৬ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

সারের স্লিপ নিতে কৃষকের কাড়াকাড়ি

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি   

১৫ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সারের স্লিপ নিতে কৃষকের কাড়াকাড়ি

চলছে আমনের ভরা মৌসুম। পর্যাপ্ত পানি না হওয়ায় এমনিতেই হতাশ কৃষক। এর ওপর মিলছে না সার। সারের স্লিপ নিতে কৃষকের উপচে পড়া ভিড়। গতকাল বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার কুন্দারহাট বাজার থেকে তোলা। ছবি : কালের কণ্ঠ

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় চলছে আমনের ভরা মৌসুম। পর্যাপ্ত পানি না হওয়ায় এমনিতেই হতাশ কৃষকরা। তার ওপর সারসংকট এবং দাম বেশি হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে মিলছে সারের স্লিপ।

বিজ্ঞাপন

ডিলারদের মাধ্যমে সারের স্লিপ পেতে রীতিমতো কাড়াকাড়ি করতে হচ্ছে। ভিড় সামলাতে কখনো মোতায়েন করতে হচ্ছে পুলিশ।

জানা গেছে, এবার শ্রাবণ মাস শেষ হতে চললেও দেখা মেলেনি স্বাভাবিক বৃষ্টির। এদিকে আমন মৌসুমে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য করায় হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও ডিলার। ভালো ফলনের জন্য প্রয়োজন সার; কিন্তু কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী সার দিতে পারছে না তারা। এরই মধ্যে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কয়েকজন ব্যবসায়ীকে জরিমানাও করেছে। তার পরও ঠেকানো যাচ্ছে না সিন্ডিকেট।

চলতি বছর নন্দীগ্রাম উপজেলায় ২০ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ফলন নিয়ে তৈরি হয়েছে দুশ্চিন্তা।

উপজেলার কহুলি গ্রামের কৃষক আব্দুস সামাদ বলেন, ‘লাইনে দাঁড়িয়ে খুব কষ্টে ঠেলাঠেলি করে স্লিপ পেয়েছি। তা-ও আবার এক বস্তার বেশি দেয় না। আমন ধান রোপণের পরে এখনো সার দিইনি। সারের এমন সংকট হবে কল্পনা করিনি। ’

এ বিষয়ে নন্দীগ্রাম উপজেলার গোল্ডেন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মোকলেছুর রহমান বলেন, ‘এই উপজেলায় সারের সংকট নেই। তবে কিছু কৃষকরা চাহিদার তুলনায় বেশি সার নিচ্ছেন। যার কারণে এমন সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। ’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আদনান বাবু বলেন, ‘এই উপজেলায় চলতি আগস্ট মাসে ৮৭০ মেট্রিক টন সার বরাদ্দ পেয়েছি। সারের কোনো সংকট নেই। তবে কিছু কৃষক গুজবে রবি মৌসুমের আগাম সার কেনার কারণে এমন সমস্যা দেখা দিয়েছে। সার নিয়ে যেন কোনো ডিলার বা ব্যবসায়ী ফায়দা লুটতে না পারেন, সে জন্য নিয়মিত মনিটর করা হচ্ছে। কোথাও বাড়তি দাম নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াও হচ্ছে। ’



সাতদিনের সেরা