kalerkantho

শনিবার । ১ অক্টোবর ২০২২ । ১৬ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

তিন বছর ধরে চিকিৎসক নেই

ভোলা প্রতিনিধি   

১২ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তিন বছর ধরে চিকিৎসক নেই

ভোলার লালমোহনের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসক না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা। একসময় প্রতিদিন অন্তত ২০০ শিশু ও মা সেবা নিতে আসত এ হাসপাতালটিতে; কিন্তু প্রায় তিন বছর ধরে এখানে চিকিৎসক না থাকায় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রোগীরা। অনেকে চিকিৎসা নিতে এসে চিকিৎসক না পেয়ে স্থানীয় ও জেলা শহরের বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছে।

লালমোহন পৌর শহরের থানার মোড়ে ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটিতে ১০টি শয্যা থাকলেও চিকিৎসকসংকটের কারণে সেগুলো খালি পড়ে আছে।

বিজ্ঞাপন

প্রতিষ্ঠাকাল থেকে আজ অবধি একটি অ্যাম্বুল্যান্সও জোটেনি কেন্দ্রটিতে।

সম্প্রতি লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, দূর-দূরান্ত থেকে আসা শিশু ও প্রসূতিরা চিকিৎসা সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে। উপজেলার ধলিগৌরনগর ইউনিয়ন থেকে চিকিৎসা নিতে আসা মো. নাসির ও সাথী বেগম দম্পতি জানান, মাতৃত্বকালীন সমস্যা নিয়ে তাঁরা এখানে এসে দেখেন চিকিৎসক নেই। তাই এখন বেসরকারি ক্লিনিকে যাওয়া ছাড়া তাঁদের অন্য কোনো উপায় নেই। এ দম্পতি বলেন, ‘আমাদের মতো নিম্ন-মধ্যবিত্তরা কি প্রাইভেট ক্লিনিকে ডাক্তার দেখাতে পারি? সেখানে অনেক টাকা খরচ। ’

শুধু নাসির-সাথী দম্পতি নন। নিম্নবিত্ত আর মধ্যবিত্ত পরিবারের একমাত্র ভরসাস্থল মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটির বারান্দা থেকে হতাশা নিয়ে ফিরে যাচ্ছে অনেকে। ভোগান্তির শিকার এসব রোগীর দাবি, দ্রুত এই মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটিতে যেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেওয়া হয়।

লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটির পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মিরা রানী দাস জানান, তাঁদের এখানে যেই প্রসূতি মায়েরা আসছেন, তাঁরা তাঁদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে চেষ্টা করেন। রোগীদের তাঁরা নরমাল ডেলিভারিসহ প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। তবে জটিল ডেলিভারি হলে তাঁরা তা করতে পারেন না। যার জন্য এখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

ভোলা জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মাহমুদুল হক আজাদ বলেন, লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটিতে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদায়নের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। ওপর থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে শিগগিরই এখানে একজন চিকিৎসক দেওয়া হবে।

 



সাতদিনের সেরা