kalerkantho

শুক্রবার । ৭ অক্টোবর ২০২২ । ২২ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

প্রশিক্ষণকেন্দ্রই কৃত্রিম

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি   

৯ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রশিক্ষণকেন্দ্রই কৃত্রিম

নীলফামারীর সৈয়দপুরে একটি ভুয়া কৃত্রিম প্রজনন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। শহরের উপকণ্ঠে উপজেলার বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ্মণপুর মাঝাপাড়া এলাকায় গত রবিবার বিকেলে কেন্দ্রটিতে অভিযান চালিয়ে বন্ধ করে দেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শ্যামল কুমার রায়।

প্রায় ১৫ দিন আগে ভাড়ায় নেওয়া ওই দুই বাড়িতে সৈয়দপুর ডেইরি অ্যান্ড ব্রিডিং লিমিটেড নামের ওই কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়। এর মধ্যে একটি বাড়িতে দূর-দূরান্তের প্রশিক্ষণার্থীদের থাকা-খাওয়া ও প্রশিক্ষণ কক্ষ এবং অন্যটিকে অফিস হিসেবে ব্যবহার করা হতো।

বিজ্ঞাপন

কিছু দালালের মাধ্যমে কেন্দ্রটিতে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে বেকার শিক্ষিত যুবকদের প্রশিক্ষণের জন্য সংগ্রহ করা হয়। ১০ দিনব্যাপী আবাসিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার নামে ফি বাবদ প্রতিজনের কাছ থেকে ১৪ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়।

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শ্যামল কুমার রায় খবর পেয়ে উমর ফারুকের ভুয়া কৃত্রিম প্রজনন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আকস্মিক অভিযান চালান। এ সময় সেখানে ওই কেন্দ্রের মূল হোতা উমর ফারুক এবং বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার আট প্রশিক্ষণার্থীকে পাওয়া যায়। এ সময় প্রশিক্ষণ ফি বাবদ নেওয়া অর্থ উদ্ধার করে তা প্রশিক্ষণার্থীদের ফেরত দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ওই ভুয়া কেন্দ্রটির পরিচালক তথা প্রশিক্ষক পরিচয়দানকারী উমর ফারুকের কাছ থেকে প্রতিষ্ঠান না চালানোর বিষয়ে একটি লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়।

সূত্র জানান, উমর ফারুক একসময় একটি বেসরকারি সংস্থার কৃত্রিম প্রজনন কর্মী হিসেবে কাজ করতেন। পরবর্তী সময়ে তিনি নিজেই প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেন। তিনি এখন পর্যন্ত ৩১৫ জনের কাছ থেকে প্রশিক্ষণের নামে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেন।

এ বিষয়ে সৈয়দপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শ্যামল কুমার রায় বলেন, ‘ওই প্রশিক্ষণকেন্দ্রের পরিচালক উমর ফারুক কোনো রকম কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। আর বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের স্বীকৃতি ব্যতিরেকে ভেটেরিনারি শিক্ষা কার্যক্রম কিংবা প্রশিক্ষণ প্রদান করা দণ্ডনীয় অপরাধ। ’

 

 



সাতদিনের সেরা