kalerkantho

শুক্রবার । ৭ অক্টোবর ২০২২ । ২২ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

রাজশাহী নগরী

গভীর রাতে আ. লীগ নেতার বাড়িতে গুলি, গ্রেপ্তার ২

গুলিসহ একটি পিস্তল, একটি শটগান উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী   

৮ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া থানা (পূর্ব) আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি হাটের ইজারাদার আতিকুর রহমান কালুর বাড়িতে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। গত শনিবার রাত ১টার দিকে মহানগরীর মুন্সিডাঙ্গা মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন একটি বেসরকারি ব্যাংকের সাবেক পরিচালক ওয়াহিদ জামিল মুরাদ ও তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী জাহিদ আলম সম্রাট।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার গভীর রাতে আতিকুর রহমান কালুর বাড়ির নিচে গিয়ে প্রথমে এক রাউন্ড গুলি ছোড়েন ওয়াহিদ জামিল। গুলির শব্দ পেয়ে কালু বাড়ির নিচে নেমে এলে তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে আরো কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। তবে গুলিগুলো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে বাড়ির দরজায় গিয়ে লাগে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বোয়ালিয়া থানার পুলিশ। হামলাকারীদের প্রাইভেট কারের পথ অনুসরণ করে পুলিশ রাত ২টার দিকে নগরীর উপশহর এলাকার ওয়াহিদ জামিলের বাসায় পৌঁছায়। সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় অস্ত্রধারী দুজনেক। এ সময় একটি শটগান, একটি পিস্তলসহ বেশ কিছু গুলি উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে তাঁদের বহনের কাজে ব্যবহৃত কালো রঙের একটি প্রাইভেট কারও জব্দ করা হয়।

একাধিক সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ নেতা আতিকুর রহমান কালুর কাছে টাকা পাবেন ওয়াহিদ জামিল। ওই টাকা দিতে গড়িমসি করায় ওয়াহিদ জামিল ক্ষিপ্ত হয়ে কালুর বাড়িতে গুলি ছোড়েন। ওয়াহিদ জামিল নগরীর উপশহরের ৩ নম্বর সেক্টরের ৪ নম্বর সড়কের ১৭৭ নম্বর বাসার চারতলার নিজের ফ্ল্যাটে থাকেন বলে জানা গেছে। গ্রেপ্তারের পর তিনি নিজেকে ‘এভারেস্ট হোমস লিমিটেড’ নামের একটি ডেভেলপার কম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন বলে দাবি করেন।

তবে আওয়ামী লীগ নেতা আতিকুর রহমান কালু দাবি করে বলেন, ‘আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি ছোড়া জামিল ওয়াহিদ মুরাদকে আমি চিনি না। কেন তিনি আমাকে হত্যা করতে এসেছিলেন—তা-ও বুঝতে পারছি না। জামিল ওয়াহিদ আমার সঙ্গে কথার বলার সময়ও আমাকে চিনতে পারেননি। পরে আমি পরিচয় দেওয়ামাত্র তিনি আমাকে হত্যার জন্য আবারও গুলি ছোড়েন। সেই গুলি গিয়ে লাগে বাড়ির দরজায়। আমি অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছি। ’ 

নগরীর বোয়ালিয়া থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘কেন এই হত্যাচেষ্টা—সে বিষয়ে গ্রেপ্তার দুজন তেমন কিছু বলছেন না। ’

 



সাতদিনের সেরা