kalerkantho

বুধবার । ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

অর্থ আত্মসাৎ মামলায় লক্ষ্মীপুরে ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি   

৫ জুলাই, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অর্থ আত্মসাৎ মামলায় লক্ষ্মীপুরে ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

লক্ষ্মীপুরে ৩২ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান আবু ইউছুফ ছৈয়ালকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক শামছুল আরেফিন তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

বাদীর আইনজীবী রাসেল মাহমুদ ভূঁইয়া মান্না জানান, বাদী ইউনুছ হাওলাদার রূপম ইউপি চেয়ারম্যান ইউছুফ ছৈয়ালের কাছে ৩২ লাখ টাকা পান। এ নিয়ে কয়েকবার বৈঠকে বসলেও তিনি টাকা দেননি।

বিজ্ঞাপন

এসংক্রান্ত মামলায় সোমবার আদালতে হাজিরা ছিল। বাদী টাকা না দেওয়ায় আদালত ইউছুফের জামিন নামঞ্জুর করেন।

ইউছুফ ছৈয়াল সদর উপজেলার চররমনী মোহন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। বাদী রূপম হাওলাদার সদর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে রূপম হাওলাদার মেঘনা নদীর মজুচৌধুরীর হাট লঞ্চঘাট ইজারার জন্য ২৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার নেন। ঘাটটি চেয়ারম্যান ইউছুফ ছৈয়ালের চররমনী মোহন ইউনিয়নে। এতে তিনি রূপমের সঙ্গে অংশীদার হয়ে কাজ করবেন ও তাঁর নামেই ঘাট ইজারা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। রূপম তাতে রাজি হন। রূপম তখন ২৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার ও আরো ১০ লাখ টাকা দেন। এতে রূপম ও ইউছুফ ছৈয়াল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে টেন্ডারের মাধ্যমে ঘাটটি ইজারা পান। কিন্তু কাগজপত্রে ইউছুফ ছৈয়ালের পরিবর্তে তার ভাতিজা বাবুল ছৈয়ালের নাম দেখা যায়। কারণ জানতে চাইলে ইউছুফ তখন রূপমকে জানান, চেয়ারম্যান হওয়ার কারণে নিজ নামে তিনি ইজারা নিতে পারবেন না। এর কিছুদিন পরে রূপমের অংশীদারির কথা তিনি অস্বীকার করেন। টাকা চাইলেও দেবেন না বলে জানান। এতে বাধ্য হয়ে রূপম লক্ষ্মীপুর আদালতে ইউছুফ ছৈয়ালের বিরুদ্ধে ৩৩ লাখ টাকা পাওনা উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।

এদিকে ঘটনাটি মীমাংসার জন্য একাধিকবার ইউছুফ ও রূপম সদর মডেল থানায় লোকজন নিয়ে বৈঠকে বসেন। বারবারই তিনি টাকা দেবেন বলে জানান।

 

 



সাতদিনের সেরা