kalerkantho

মঙ্গলবার। ৯ আগস্ট ২০২২ । ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১০ মহররম ১৪৪৪

দুই ছাত্রলীগ নেতার দ্বন্দ্বে ব্যবসায়ীর ওপর হামলা

শেরপুর প্রতিনিধি   

২৯ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শেরপুরে দুই ছাত্রলীগ নেতার দ্বন্দ্বের জেরে শহরের নবীনগর এলাকার এক ব্যবসায়ীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় গুরুতর আহত ব্যবসায়ী মো. আব্দুল আওয়াল শেখ (৪০) রাজধানীর পপুলার হাসপাতালের আইসিউইতে চিকিৎসাধীন। তাঁর অবস্থা সংকটাপন্ন।

এ ঘটনায় জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাকিবসহ (২৪) ১১ জনের বিরুদ্ধে শেরপুর সদর থানায় একটি মামলা করেছেন আহত আওয়াল শেখের বড় ভাই মো. কামাল মিয়া।

বিজ্ঞাপন

এতে অজ্ঞাতপরিচয় আরো পাঁচ-ছয়জনকে আসামি করা হয়।

 

জানা যায়, শহরের নবীনগর এলাকার বাসিন্দা শেরপুর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাকিবের সঙ্গে একই এলাকার অধিবাসী শেরপুর সরকারি কলেজের ছাত্রলীগকর্মী বাপ্পীর বেশ কিছুদিন ধরে নানা বিষয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। এ নিয়ে কয়েক দিন আগে রাকিব ও বাপ্পীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। ওই ঘটনার জের ধরে গত শনিবার (২৫ জুন) রাতে শহরের নিউ মার্কেট এলাকায় বাপ্পীর জ্যাঠাতো ভাই ছাত্রলীগকর্মী কারিমুল হাসান জিহাদ ও তাঁর ব্যাবসায়িক অংশীদার তৌফিকুর রহমান তারিফের ওপর অতর্কিত হামলা করেন রাকিবের অনুসারীরা। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে বেশ কয়েকজন শহরের নবীনগর বাসস্ট্যান্ডে আব্দুল আওয়ালের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান জিহাদ ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপে গিয়ে তাঁকে রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে স্থানীয়রা আওয়ালকে উদ্ধার করে শেরপুর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। সোমবার বিকেলে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সায়েন্স বিভাগে নিয়ে অস্ত্রোপচার করা হয়। কিন্তু অবস্থা সংকটাপন্ন হলে আইসিইউ (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) প্রয়োজন হওয়ায় মঙ্গলবার দুপুরে তাঁকে রাজধানীর পপুলার হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।

শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হাসান বলেন, ‘আহত আওয়ালের অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন। চিকিৎসকরা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। ’

এদিকে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরপুর সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন দেবনাথ বলেন, ‘আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ’



সাতদিনের সেরা