kalerkantho

শনিবার । ১৩ আগস্ট ২০২২ । ২৯ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৪ মহররম ১৪৪৪  

স্রোতের তোড়ে ধসে গেছে সেতু

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

২৫ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্রোতের তোড়ে ধসে গেছে সেতু

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের আদাবাড়ী গ্রামের সেতুটি পানির তীব্র স্রোতে ধসে গেছে। এতে সড়কপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের আদাবাড়ী গ্রামে কড়াইল-আদাবাড়ী সড়কের সেতুটি ধসে পড়েছে। এতে কড়াইল, হিলড়া গ্রামসহ ওই এলাকার ৮-১০টি গ্রামের সঙ্গে সড়কপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। গত বুধবার বিকেলে সেতুটি ধসে পড়লে এই দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়।

এলাকাবাসী ও এলজিইডি সূত্র জানায়, এলজিইডি গত ১৯৮৯-৯০ অর্থবছরে কড়াইল-আদাবাড়ী সড়কের আদাবাড়ী এলাকায় আনুমানিক ২৫ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৬ ফুট প্রস্থের এই সেতুটি নির্মাণ করে।

বিজ্ঞাপন

পরে ওই সড়কটি কার্পেটিং করা হয়। সড়ক পাকা হওয়ায় মহেড়া ইউনিয়নের হিলড়া, গোড়াকী, আদাবাড়ী, কড়াইল, বানিয়ারা, ডোকলাহাটি গ্রামের লোকজন ছাড়াও উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের থলপাড়া, বৈল্যানপুর, ফতেপুর ও তরফপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের লোকজন নিয়মিত চলাচল করে।

গত বছরের বর্ষায় পানির স্রোতের তোড়ে সেতুর নিচ থেকে মাটি সরে যায়। এতে সেতুটির পূর্ব-দক্ষিণ পাশের কিছু অংশ ভেঙে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এলজিইডি মির্জাপুর অফিসের লোকজন সেতুটি পরিদর্শনে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে একটি সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেন। এরপর এলাকাবাসী ঝুঁকি নিয়ে ওই সেতু দিয়ে চলাচল করলেও এলজিইডি সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বানিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র সিয়াম, আদাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র সিজাত, আব্দুুল্লাহ, সাজ্জাত, চতুর্থ শ্রেণির রিমন নৌকাযোগে পারাপার হচ্ছে। নৌকার মাঝিরা জনপ্রতি পাঁচ টাকা করে নিচ্ছেন।

মহেড়া এলাকার আব্দুস সাত্তার মিয়া জানান, সেতুটি ভেঙে পড়ায় হিলড়া, কড়াইল গ্রামসহ আশপাশের গ্রামের লোকজনকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দুই দিন আগে সেতুটি ভেঙে পড়লেও সরকারি কর্মকর্তারা আসেননি।

মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলী আরিফুর রহমান বলেন, ‘গত বছর সেতুটি পরিদর্শন শেষে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছিল। সেতুটি ধসে পড়ার খবর সবেমাত্র জানলাম। তবে এলাকাবাসীর যাতায়াতের সুবিধার্থে আপাতত সেখানে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়া হবে। পরে কী ধরনের সেতু নির্মাণ করা যায়, তার সম্ভাব্যতা যাচাই করে কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে। ’

 



সাতদিনের সেরা