kalerkantho

মঙ্গলবার । ৫ জুলাই ২০২২ । ২১ আষাঢ় ১৪২৯ । ৫ জিলহজ ১৪৪৩

কৃষক লীগ নেতাকে মারধর, উত্তেজনা

বরগুনায় নির্বাচনী সহিংসতা

বরগুনা প্রতিনিধি   

২৩ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বরগুনা জেলা কৃষক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক ওরফে শাহিনকে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বরগুনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় গতকাল বুধবার বরগুনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মাহাবুব আলম মামলাটি আমলে নিয়ে সিদ্দিকুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন।

বিজ্ঞাপন

মামলার অন্য আসামিরা হলেন সিদ্দিকুর রহমানের ভাইয়ের ছেলে সুমন, বশির, মুসা ও রাজু। সিদ্দিকুর রহমান বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর ভায়রা। তিনি বরগুনা সদরের বুড়িরচর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, এনামুল হক গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বরগুনা সদরের বুড়িরচর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান (নৌকা প্রতীক) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হুমায়ুন কবীর। ওই নির্বাচনে সিদ্দিকুর রহমান স্বতন্ত্র প্রার্থী হুমায়ুন কবীরের কাছে হেরে যান।

এনামুল হক শাহিন অভিযোগ করেন, সিদ্দিকুর রহমান মনে করেন তাঁর (শাহিন) কারণেই তিনি নির্বাচনে হেরে গেছেন। সেই থেকে সিদ্দিকুর রহমান এনামুল হকের প্রতি ক্ষিপ্ত। এর জেরে পথেঘাটে প্রায় সময় এনামুল হক ও তাঁর সমর্থিত নেতাকর্মীদের অপমান ও মারধর করে আসছেন সিদ্দিকুর রহমান ও তাঁর লোকজন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ১৯ জুন রাত সোয়া ৯টার দিকে এনামুল হক মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি যাচ্ছিলেন। এ সময় তাঁর পথরোধ করেন সিদ্দিকুর রহমান ও তাঁর লোকজন। এক পর্যায়ে এনামুল হকের বুকে ঘুষি মারেন সিদ্দিকুর রহমান। পরে তাঁর লোকজন প্রচণ্ড মারধর করেন।

অভিযোগের বিষয়ে সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘আমার ভাইয়ের ছেলের সঙ্গে এনামুল হকের কথা-কাটাকাটি হয়েছে মাত্র। ’ মারধরের ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা চলছে জানিয়ে বরগুনা থানার ওসি আলী আহমেদ বলেন, ‘সম্প্রতি দুই পক্ষ সমাবেশ করার জন্য আবেদন করেছিল। আমরা কোনো পক্ষকেই সমাবেশ করার অনুমতি দিইনি। ’

 

 



সাতদিনের সেরা