kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৮ জুন ২০২২ । ১৪ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৭ জিলকদ ১৪৪৩

চিকিৎসা নিতেও বাধার অভিযোগ

নড়াইলে দুই নারীকে পেটাল পুলিশ

ওসি আমাকে মারে। এরপর আরো দুই পুলিশ পেটায়। আমি মার খেতে খেতে বাড়ির উঠানে পড়ে গেলে আরেক পুলিশ চেয়ার দিয়ে মারে।নারগিস বেগম ভুক্তভোগী

নড়াইল প্রতিনিধি   

২৩ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নড়াইলের কালিয়ার চাঁদপুর গ্রামের নিরীহ মধ্যবয়সী দুই নারীকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করেছেন কয়েক পুলিশ সদস্য। অভিযোগ উঠেছে, ঘটনা প্রচার হওয়ার আশঙ্কায় তাঁদের সুচিকিৎসাও করতে দেয়নি পুলিশ। ১৯ মে সন্ধ্যায় পুরুলিয়া ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামে কোন্দল প্রতিরোধে এসে পুলিশের হাতে মার খাওয়া দুই নারী এখন বিছানায় কাতরাচ্ছেন। আহতরা হলেন নড়াইলের চাঁদপুর গ্রামের সবুজ মৃধার স্ত্রী নারগিস বেগম (৪৫) এবং সবুজের বোন রেশমা বেগম (৫০)।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয়রা জানায়, গ্রাম্য কোন্দলের জেরে ১৯ মে সন্ধ্যায় চাঁদপুর গ্রামের রসুল শেখের ছেলে সোহেল শেখের (২৬) পায়ের রগ কেটে দেয় প্রতিপক্ষ। সোহেলের স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তানও হামলার শিকার হন। প্রতিপক্ষ গ্রাম পুলিশ শিপান শেখের ইন্ধনে কালিয়া থানার ওসিসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য ওই দুই নারীকে পিটিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

অসুস্থ নারগিস রাত ১২টার দিকে নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য রওনা হলে পুলিশ তাঁদের ফিরিয়ে আনে। পরে দেখানো হয়। পরে শনিবার নড়াইলের একটি ক্লিনিকে পুলিশের তত্ত্বাবধানে সামান্য চিকিৎসা দিয়ে তাঁদের ফের বাড়ি পাঠানো হয় বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

আহত নারগিস বেগম বলেন, ‘ওসি আমাকে মারে। এরপর আরো দুই পুলিশ পেটায়। আমি মার খেতে খেতে বাড়ির উঠানে পড়ে গেলে আরেক পুলিশ চেয়ার দিয়ে মারে, ঘরের ভেতরে ঢুকতে গেলে আরেক পুলিশ পেটায়। ’

সবুজের বোন রেশমা বেগম বলেন, ‘আমি ভাবির মার খাওয়া দেখে ওসিকে বললাম, স্যার, নারী পুলিশ দিয়ে মারেন—এ কথা বলার সাথে সাথে আমাকে অন্তত ১০টা বাড়ি মারল। এরপর আমার আর কিছু মনে নাই। ’

এ বিষয়ে কালিয়া থানার ওসি শেখ তাসমীম আলম তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘সব বানোয়াট, মিথ্যা কথা। ’

চিকিৎসা নিতে বাঁধা দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন ওসি।



সাতদিনের সেরা