kalerkantho

রবিবার । ৩ জুলাই ২০২২ । ১৯ আষাঢ় ১৪২৯ । ৩ জিলহজ ১৪৪৩

ঝিকরগাছা

অশনির শিকার কৃষকরা এখন বাড়তি সেচ খরচে দিশাহারা

সেচের মূল্য নির্ধারণ করে তালিকা প্রতিটি ইউনিয়নে পাঠানো হয়েছে। অতিরিক্ত টাকা আদায় করলে সেচ মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে -মাহবুবুল হক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সেচ কমিটির সভাপতি

ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধি   

২১ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে পাকা ধানে ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছেন যশোরের ঝিকরগাছার কৃষকরা। তার ওপর এখন ইরি-বোরো চাষে কৃষকদের কাছ থেকে সেচের জন্য অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে মালিকপক্ষ।

প্রতি বিঘা জমিতে সেচ দিয়ে নির্ধারিত দামের চেয়ে তিন-চার হাজার টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। এতে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন উপজেলার কৃষকরা।

বিজ্ঞাপন

এদিকে সরকার নির্ধারিত মূল্য আদায় নিশ্চিত করতে গত ১৫ মার্চ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সেচ কমিটির সভাপতি বরাবর আবেদন করেন নাভারণ ইউনিয়নের কলাগাছি গ্রামের ভুক্তভোগী কৃষকরা। তবে প্রশাসনের নীরবতায় কার্যকর হয়নি নির্ধারিত দাম আদায়।

উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঝিকরগাছা উপজেলার গঙ্গানন্দপুর, শিমুলিয়া, গদখালী, পানিসারা ও নির্বাসখোলা ইউনিয়নে বৈদ্যুতিক অগভীর নলকূপে ১৫০০ থেকে ২১০০ টাকা, গভীর নলকূপের ক্ষেত্রে ১২০০ থেকে ১৬০০ টাকা; মাগুরা, হাজিরবাগ, শংকরপুর ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকায় অগভীর নলকূপে ১৬০০ থেকে ২২০০ টাকা, গভীর নলকূপে ১৪০০ থেকে ১৮০০ টাকা; ঝিকরগাছা সদর, বাঁকড়া ও নাভারণ ইউনিয়নে অগভীর নলকূপে ১৭০০ থেকে ২৩০০ টাকা এবং গভীর নলকূপে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা সরকারিভাবে দাম নির্ধারিত রয়েছে। এ ছাড়া চলতি মৌসুমে প্রতি বিঘা ধান চাষে ডিজেলচালিত গভীর, অগভীর নলকূপ ও এলএলপি নলকূপের ক্ষেত্রেও সরকারিভাবে দাম নির্ধারিত।

নাভারণ ইউনিয়নের কলাগাছি গ্রামের কৃষক আবুল হোসেন বলেন, এমনিতে বৃষ্টিতে সবাই বিপদে। তার ওপর প্রতি বিঘায় পাঁচ হাজার টাকা পানির দাম গুনতে হচ্ছে। কৃষক আবু মোতালেব বলেন, ডিজেলচালিত অগভীর নলকূপের পানি নিয়ে প্রতি বিঘায় ছয় হাজার টাকা দিতে হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সেচ কমিটির সভাপতি মাহবুবুল হক বলেন, সেচের মূল্য নির্ধারণ করে তালিকা প্রতিটি ইউনিয়নে পাঠানো হয়েছে। অতিরিক্ত টাকা আদায় করলে সেচ মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইউনিয়ন পরিষদকে বলা হয়েছে।



সাতদিনের সেরা