kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৩০ জুন ২০২২ । ১৬ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৯ জিলকদ ১৪৪৩

শরণখোলা

জেলের তুলনায় চালের বরাদ্দ কম

আগামীকাল থেকে ৬৫ দিনের জন্য সাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

১৯ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বঙ্গোপসাগরে আগামী ২০ মে থেকে শুরু হচ্ছে মৎস্য আহরণে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা। সামুদ্রিক মাছের প্রজননের প্রধান মৌসুম এটি। নিরাপদ প্রজনন ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ২৩ জুলাই পর্যন্ত বলবত্ থাকবে এই নিষেধাজ্ঞা।

বিজ্ঞাপন

এ কারণে টানা দুই মাসেরও বেশি সময় উপকূলের জেলেপল্লীতে থাকবে না কোনো প্রাণচাঞ্চল্য। তবে নিষিদ্ধ এই সময়ে সমুদ্রগামী বেকার জেলেদের খাদ্য সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ৬৫ দিনে প্রতিজন জেলের জন্য ৮৬ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে বাগেরহাটের শরণখোলায় জেলেদের চাল নিয়ে বিপাকে পড়েছেন জনপ্রতিধিরা। উপকূলীয় এই উপজেলার চারটি ইউনিয়নে সমুদ্রগামী জেলের সংখ্যা প্রায় চার হাজার। কিন্তু এর মধ্যে চাল বরাদ্দ এসেছে মাত্র ৩৭৪ জন জেলের। চাহিদার তুলনায় কম বরাদ্দ আসায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে গত মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় চাল উত্তোলনে অনীহা প্রকাশ করেছেন ইউপি চেয়ারম্যানরা। তাঁরা দ্রুত বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন ওই সভায়।

শরণখোলার সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘আমার ইউনিয়নে জেলে রয়েছেন এক হাজার ৪৪০ জন। অথচ বরাদ্দ পাওয়া গেছে মাত্র ১১০ জনের। এখন এ চাল আমি কিভাবে বিতরণ করব—তা ভেবে পাচ্ছি না। ’

উপজেলায় জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, শরণখোলায় মোট জেলের সংখ্যা ছয় হাজার ৭৪৪ জন। এর মধ্যে সমুদ্রগামী জেলে হচ্ছেন প্রায় চার হাজার। ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধের জন্য প্রতি জেলে ৮৬ কেজি করে চাল পাবেন। সে হিসাবে মাত্র ৩৭৪ জন জেলের চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। দুই কিস্তিতে এই চাল বিতরণ করা হবে। তবে তুলনামূলক বরাদ্দ কম আসায় এরই মধ্যে আরো তিন হাজার জেলের জন্য বরাদ্দ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে।

শরণখোলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর-ই আলম সিদ্দিকী বলেন, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ খুবই কম পাওয়া গেছে। তবে সব জেলে যাতে চাল পান, সে জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।



সাতদিনের সেরা