kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৩০ জুন ২০২২ । ১৬ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৯ জিলকদ ১৪৪৩

সৈয়দপুর

ইটখোলার বিষাক্ত ধোঁয়ায় ক্ষেতের ফসল নষ্ট

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি   

১৮ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইটখোলার বিষাক্ত ধোঁয়ায় ক্ষেতের ফসল নষ্ট

দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়কের পশ্চিম পাশে তিনফসলি জমিতে পাশাপাশি তিনটি ইটখোলা। ছবি : কালের কণ্ঠ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে তিনটি অবৈধ ইটখোলার নির্গত বিষাক্ত গ্যাস ও কালো ধোঁয়ায় কয়েক হেক্টর জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রায় এক মাস পর গত সোমবার (৯ মে) সরেজমিনে তদন্ত করেছে উপজেলা প্রশাসনের তদন্তদল।

অভিযোগে বলা হয়, উপজেলার ৪ নম্বর বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়কের পশ্চিম পাশে তিন ফসলি আবাদি জমিতে পাশাপাশি তিনটি ইটখোলা গড়ে তোলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ভাটাগুলো হলো মো. মনসুর আলী সরকারের এমএএস ব্রিকস, তাঁর ছোট ছেলে মো. আনিছুর রহমান সরকারের এআরএস ব্রিকস এবং মো. মোস্তফা ফিরোজের এমবিএস ব্রিকস। মূলত কৃষি বিভাগের কোনো সনদ ছাড়াই এসব ইটখোলা গড়ে উঠেছে। নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রও।

উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের কাঠালিপাড়া (যানেরপাড়) এলাকার বর্গাচাষি মো. আব্দুল মজিদ বলেন, ‘অন্যের দেড় দোন (৪৫ শতক) জমি বর্গা নিয়ে বিআর-২৯ জাতের ধান রোপণ করছুনু। ধার দ্যানা করি অষুধপত্র ও পরিচর্যা করায় ধানক্ষেতও অনেক ভালো হয়েছে। কিন্তু ইটখোলার ধোঁয়া ও গ্যাসে ক্ষেতের ধানের শীষ সব পুড়ে কালো হয়ে গেছে। ’

এ ঘটনায় এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পক্ষে মো. মতিয়ার রহমানের স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ গত ১৫ এপ্রিল সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর প্রদান করা হয়েছে।

আর কৃষকদের ওই লিখিত অভিযোগ পেয়ে ইউএনও মো. শামীম হুসাইন ঘটনার বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য কৃষি বিভাগকে নির্দেশ দেন। ইউএনওর নির্দেশে কৃষি বিভাগের উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ মো. সালাহউদ্দিনকে প্রধান করে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

তবে এমবিএস ব্রিকসের মালিক মোস্তফা ফিরোজ বলেন, ‘নিয়ম-নীতি মেনে ভাটা পরিচালনা করছি। ইট পোঁড়ানোর কাজে কয়লা ছাড়া অন্য কোন দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করা হয় না। ’

তদন্ত কমিটির প্রধান সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ মো. সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আমরা তদন্ত শুরু করেছি। ’



সাতদিনের সেরা