kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৩০ জুন ২০২২ । ১৬ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৯ জিলকদ ১৪৪৩

২১টি পুরনো সেতুর মালাপত্র সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

স্বরূপকাঠির সমুদয়কাঠি ইউনিয়ন

স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) প্রতিনিধি   

১৮ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নে ২১টি পুরনো সেতুর মালামাল রাতের আঁধারে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম কে (মাহমুদ করিম) সবুর তালুকদারের বিরুদ্ধে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানালে তিনি খতিয়ে দেখতে উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেন।

এ ব্যাপারে সমুদয়কাঠি ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবির বেপারী অভিযোগ করেন, ২০১১-১২ অর্থবছরে জাইকার অর্থায়নে ইউনিয়নের সেহাংগল বুদ্ধির বাজার থেকে সাগরকান্দা হয়ে জিনুহার পর্যন্ত সড়কে ২১টি ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ করে এলজিইডি। ওই সময় পুরনো লোহার ব্রিজগুলোর মালামাল জব্দ তালিকা করে ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান এম কে সবুর তালুকদারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

চেয়ারম্যান ওই মালামালের সামান্য কিছু অংশ ইউনিয়ন পরিষদের গুদামে রেখে বাকি মাল তাঁর নিজের হেফাজতে নিয়ে যান। এর পর থেকে ওই সব মালের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা সেলিম ফরাজি, ফিরোজ হাওলাদার, দুলাল ফকিরসহ একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে জানা যায়, ওই এলাকার মাহবুব তালুকদারের একটি ঘর ভাড়া নিয়ে নিজের গোডাউন হিসেবে ব্যবহার করছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান এম কে সবুর তালুকদার। তাঁর ওই ঘর থেকে কয়েক দিন ধরে রাতে পুরনো সেতুর লোহার মালামাল ট্রলারে করে সরিয়ে নিতে দেখে এলাকাবাসী। সর্বশেষ গত রবিবার রাতে চেয়ারম্যান সবুরের লোক হিসেবে পরিচিত কবির তালুকদার ও হাফিজ তালুকদার ট্রলারে করে মালামাল সরিয়ে নেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সাবেক চেয়ারম্যান এম কে সবুর জানান, জাইকার কাজের সময় তিনি যে মালামাল পেয়েছেন তা দিয়ে এলাকায় পুল করা হয়েছে। ওই গোডাউনে থাকা মালামাল তাঁর ক্রয় করা বলে তিনি দাবি করেন।

উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. তৌফিক আজিজ বলেন, ‘ইউএনওর নির্দেশ পেয়ে নথিপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নথিপত্র অনুযায়ী রিপোর্ট দেওয়া হবে। ’



সাতদিনের সেরা