kalerkantho

বুধবার । ২৯ জুন ২০২২ । ১৫ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৮ জিলকদ ১৪৪৩

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল

চেয়ারম্যানের পকেটে শ্রমিকের মজুরি

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

১৭ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দরিদ্রদের কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকের মজুরির টাকা ইউপি চেয়ারম্যান কৌশলে তুলে নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ অভিযোগ আনা হয়েছে উপজেলার সাগরদীঘি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ভুক্তভোগীদের পক্ষে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে চেয়ারম্যান অভিযোগটি সত্য নয় বলে দাবি করেছেন।

বিজ্ঞাপন

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ বছর ঘাটাইলে কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ জানুয়ারিতে শুরু হয়ে শেষ হয় ফেব্রুয়ারিতে। শ্রমিকদের হাতে মজুরির টাকা সরাসরি পৌঁছে দিতে সরকার এবারই প্রথম ই-পেমেন্ট পদ্ধতি চালু করে। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে নিবন্ধন করা মোবাইল সিম কার্ড ও বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে আঙুলের ছাপ নিয়ে শ্রমিকদের নামের তালিকা করা হয়। এত কিছুর পরও সাগরদীঘি ইউনিয়নে শ্রমিকের তালিকায় রয়েছে কলেজের প্রভাষক, স্কুল শিক্ষক, প্রবাসী, ব্যবসায়ী, পল্লী চিকিৎসক ও চাকরিজীবীদের নাম।

শ্রমিকের তালিকায় নাম থাকা মামুন হোসাইন স্থানীয় একটি বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক। ফুলমালিরচালা গ্রামের মজনু মিয়া একটি কম্পানির ডিলারশিপের ব্যবসা করেন। নাজমুল ইসলাম একজন চাকরিজীবী। মালিরচালা গ্রামের সোহরাব আলী একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী।

তালিকায় নাম থাকা কামালপুর গ্রামের নারগিছ ও খাদিজা আক্তার জানান, যাচাই-বাছাইয়ের কথা বলে চেয়ারম্যান শ্রমিকদের বিকাশ নম্বরের পিন কোডসহ সিম কার্ড জমা দিতে বলেন। তাঁর কথামতো অফিসে মোবাইলের সিম কার্ড জমা দেওয়া হয়। এখন সিম কার্ড ফেরত দিচ্ছেন না চেয়ারম্যান। আর তাঁদের মজুরির কোনো টাকাও দেওয়া হয়নি। শোনা যাচ্ছে, চেয়ারম্যান ও তাঁর লোকজন সব টাকা তুলে আত্মসাৎ করেছে।

এ ব্যাপারে সাগরদীঘি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হেকমত সিকদার বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। ’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিয়া চৌধুরী বলেন, ‘এ বিষয়ে

একটি অভিযোগ পেয়েছি। কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’



সাতদিনের সেরা