kalerkantho

বুধবার । ২৯ জুন ২০২২ । ১৫ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৮ জিলকদ ১৪৪৩

ভাঙ্গুড়ায় চালের মান নিয়ে প্রশ্ন

ওএমএসের মানহীন চাল কিনছেন না ক্রেতারা

বিক্রি না হলেও বরাদ্দ পাওয়া চাল তুলে নিজেদের গুদামে মজুদ করছেন ডিলাররা

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি   

১৭ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ওএমএসের চাল কিনছেন না ক্রেতারা। বিক্রি না হলেও দৈনিক বরাদ্দ পাওয়া চাল তুলে নিজেদের গুদামে মজুদ করছেন ডিলাররা। বিষয়টি জানেন না খাদ্যগুদাম কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

জানা যায়, ভাঙ্গুড়া উপজেলায় হতদরিদ্রদের মধ্যে বিক্রির জন্য চারজন ডিলারের মাধ্যমে দৈনিক চার টন চাল, ময়দা সরবরাহ করে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস।

বিজ্ঞাপন

একজন ক্রেতা ৩০ টাকা দরে পাঁচ কেজি চাল ও ১৮ টাকা দরে পাঁচ কেজি আটা কিনতে পারবেন। গত জানুয়ারি মাসে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে ক্রেতারা উপচে পড়ে। কিন্তু গত দেড় মাস আগে আটা বিক্রি বন্ধ হয়ে গেলে চালের ক্রেতায় ভাটা পড়ে। এক পর্যায়ে ১৫ দিন ধরে ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ে ওএমএসের চাল।

সুবিধাভোগীরা জানান, ওএমএসের চাল অত্যন্ত মোটা বলে কেউ খেতে চায় না। কিন্তু আটা কেনার শর্তে চাল কিনতে বাধ্য হয়। এতে আটা না থাকায় চাল কেনার আগ্রহ হারিয়েছেন ক্রেতারা।

গত সপ্তাহে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ডিলার ফজলে রাব্বি খান মুক্তি ও সালেহ আহমেদের দোকানে অনেক সময় পরপর দু-একজন করে ক্রেতা আসছেন। তবে কাগজে-কলমে ২০০ জন ক্রেতার নাম ও টিপসই পূরণ রয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া চালের কয়েকটি বস্তা বাইরে রেখে বেশির ভাগ গুদামের ভেতর রাখা হয়েছে। অথচ নিয়ম অনুসারে দৈনিক বরাদ্দ পাওয়া চাল অবিক্রীত থাকলে পরের দিন ডিলারপ্রতি এক টন চাল পূরণ করতে যতটুকু প্রয়োজন—ওইটুকুই তোলা যাবে।

ডিলার ফজলে রাব্বী খানের ম্যানেজার আব্বাস আলী বলেন, ‘আটা বন্ধ হওয়ার পরই চালের ক্রেতা কমে গেছে। এ কারণে একজন ক্রেতা বরাদ্দের বেশি চাল চাইলেও দেওয়া হচ্ছে। ’



সাতদিনের সেরা