kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ২৬ মে ২০২২ । ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৪ শাওয়াল ১৪৪

যশোরের কেশবপুর

২৩ দিনেও মেরামত হয়নি ভাঙা বাঁধ

♦ ভেঙে গেছে আপারভদ্রা নদীমুখের ক্রসবাঁধ
♦ পলি জমে ভরাট হয়ে যাচ্ছে নদীর তলদেশ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি   

১৪ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



২৩ দিনেও মেরামত হয়নি ভাঙা বাঁধ

কেশবপুরের আপারভদ্রা নদীতে নির্মাণ করা ক্রসবাঁধ ভেঙে জোয়ারের পানিতে পলি ঢুকছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

যশোরের কেশবপুরের প্রধান প্রধান নদ-নদীতে পলি ঠেকাতে দেওয়া আপারভদ্রা নদীমুখের ক্রসবাঁধটি ভেঙে গেছে। তবে ভেঙে যাওয়ার ২৩ দিনেও মেরামত করা সম্ভব হয়নি বাঁধটি। ফলে পলি জমে হরিহর নদসহ আপারভদ্রা নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যাচ্ছে।

এলাকার ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সুষ্ঠু তদারকির অভাবে ক্রসবাঁধ পুনর্নির্মাণে বিলম্ব হওয়ায় নদ-নদীতে পলি জমেছে।

বিজ্ঞাপন

এতে কেশবপুর ও মণিরামপুরের বিভিন্ন এলাকায় আবারও জলাবদ্ধতা দেখা দেবে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্রসবাঁধটি ভেঙে গেলেও নদ-নদীতে পলি উঠছে না। তা ছাড়া ক্রসবাঁধটি পুনর্নির্মাণের জন্য কাজও শুরু হয়েছে।

জানা যায়, আপারভদ্রা নদীর মুখে পলি ঠেকাতে প্রতিবছরের মতো গত ১৫ এপ্রিল ঠিকাদারের মাধ্যমে ক্রসবাঁধ নির্মাণ করা হয়। নির্মাণের পাঁচ দিন অতিবাহিত না হতেই বাঁধটি ভেঙে পলি ঢুকতে শুরু করে। গতকাল শুক্রবার সরেজমিনে ক্রসবাঁধ এলাকায় গেলে উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের কৃষক উত্তম বিশ্বাস বলেন, ‘বাঁধ নির্মাণের মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যেই তা ভেঙে গেছে। এখন জোয়ারের পানিতে পলি ঢুকে পড়ছে নদ-নদীতে। ’

কেশবপুরের ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দিকী বলেন, ‘ক্রসবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় নদ-নদীতে পলি জমে তলদেশ উঁচু হয়ে যাচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে হরিহর নদসংলগ্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা শুরুর আশঙ্কা রয়েছে। ’ উপজেলার ২৭ বিল পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক বাবর আলী গোলদার বলেন, ‘দ্রুত ক্রসবাঁধ পুনর্নির্মাণ না করা হলে পলিতে নদ-নদী উঁচু হয়ে আগের মতো কেশবপুর ও মণিরামপুরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেবে। ’

ক্রসবাঁধ পুনর্নির্মাণের দায়িত্বে থাকা ডুমুরিয়া উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বাঁধ পুনর্নির্মাণের কাজ এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই বাঁধ মেরামতের কাজ শেষ হবে। ’



সাতদিনের সেরা