kalerkantho

সোমবার । ১৫ আগস্ট ২০২২ । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৬ মহররম ১৪৪৪

দিনাজপুর

পঞ্চমবারের মতো পাথর উৎপাদন বন্ধ

মধ্যপাড়া পাথরখনিতে বিস্ফোরক সংকট

দিনাজপুর প্রতিনিধি   

৭ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাথর উৎপাদন ও উন্নয়ন কাজে ব্যবহৃত বিস্ফোরক (অ্যামালসন এক্সপোসিভ) সংকটে পঞ্চমবারের মতো দিনাজপুরের মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি থেকে পাথর উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। গত রবিবার (১ মে) সকাল থেকে খনির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া-ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) উৎপাদন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়। এর আগে গত ১২ মার্চ পাথর উৎপাদন ও উন্নয়ন কাজে ব্যবহৃত বিস্ফোরক (অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট) সংকটে মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি থেকে পাথর উৎপাদন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সে সময় খনি কর্তৃপক্ষ (এমজিএমসিএল) বলেছিল, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে পরিবহনসংকট সৃষ্টি হওয়ায় বিস্ফোরক আমদানিতে বিলম্ব হয়।

বিজ্ঞাপন

কিন্তু এবার কেউ কথা বলছে না।

চুক্তি অনুযায়ী খনির উন্নয়ন, উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে চাহিদামতো প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও বিস্ফোরক সরবরাহ করবে খনি কর্তৃপক্ষ। কিন্তু খনির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে (জিটিসি) চুক্তির আওতায় নির্দিষ্ট সময়ে প্রয়োজনীয় বিস্ফোরক সরবরাহ করতে না পারায় খনির উন্নয়ন ও পাথর উৎপাদন কাজ বারবার ব্যাহত হচ্ছে।

খনির একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, এরই মধ্যে বিস্ফোরক আমদানি করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। চলতি মাসের শেষের দিকে বিস্ফোরক আসবে। তবে যেসব পাথর মজুদ রয়েছে সেসব বিক্রি করা হচ্ছে। বর্তমানে খনির অভ্যন্তরে ৪০ থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পাথর মজুদ রয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু দাউদ মোহাম্মদ ফরিদুজ্জামানকে ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।

২০০৭ সালে মধ্যপাড়া পাথরখনিতে পাথর উত্তোলন শুরু হয়। এর আগে বিস্ফোরকের অভাবে প্রথম ২০১৪ সালে ২২ দিন, ২০১৫ সালে দুই মাস এবং ২০১৮ সালের জুন মাসে সাত দিন ও ২০২২ সালের মার্চ মাসে ১৪ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকে।



সাতদিনের সেরা