kalerkantho

শুক্রবার ।  ২৭ মে ২০২২ । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৫ শাওয়াল ১৪৪

হবিগঞ্জ হাসপাতাল

নবজাতক উধাও, ছয় ঘণ্টা পর উদ্ধার

সকাল ৯টার দিকে নবজাতকের ফুফু স্ক্যানো ওয়ার্ডে গেলে দায়িত্বরত নার্স জানান, বাচ্চাকে তার বাবা নিয়ে গেছেন

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

২৬ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নবজাতক উধাও, ছয় ঘণ্টা পর উদ্ধার

হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ছয় ঘণ্টা পর নবজাতককে মায়ের কোলে দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে স্ক্যানো (নবজাতকের বিশেষ যত্ন কেন্দ্র) ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

শিশুটি শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার মড়রা গ্রামের দেলওয়ার হোসেন ও ফেরদৌস আরা দম্পতির ছেলে। নবজাতকের ফুফু নুরুন্নাহার বেগম জানান, সোমবার রাতে প্রসব যন্ত্রণা উঠলে মাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার ভোরে সে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেয়। ঠাণ্ডাজনিত কারণে নবজাতকটিকে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় স্ক্যানো ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। এ সময় নবজাতকের মা নিচতলায় গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে স্ক্যানো ওয়ার্ডের বাইরে বসা ছিলেন তার ফুফু ও নানি। সকাল ৯টার দিকে নবজাতকের ফুফু স্ক্যানো ওয়ার্ডে গেলে দায়িত্বরত নার্স জানান, বাচ্চাকে তার বাবা নিয়ে গেছেন। অথচ ওই সময় নবজাতকের বাবা হাসপাতালেই ছিলেন না। খবর পেয়ে নবজাতকের বাড়ি থেকে তার বাবা ও স্বজনরা হাসপাতালে আসেন। এ সময় উত্তেজনা দেখা দিলে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলে নানা নাটকীয়তা। শেষে সেই নবজাতকের সন্ধান মেলে গাইনি ওয়ার্ডের আকলিমা বেগম নামের এক নারীর কাছে।

আজমিরীগঞ্জের শিবপাশার মাসুম চৌধুরীর স্ত্রী আকলিমা বেগম সকালে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। তাঁদের শিশুও ছিল স্ক্যানো ওয়ার্ডে। সকাল ৯টার দিকে মাসুম চৌধুরীর মা রাবেয়া খাতুন ওই নবজাতককে স্ক্যানো ওয়ার্ড থেকে নিয়ে আসেন। রাবেয়া খাতুন জানান, নার্স ভুল করে কন্যার বদলে ছেলেকে দিয়েছিলেন। প্রথমে ভয়ে কাউকে জানায়নি। পরে সুযোগ বুঝে কর্তৃপক্ষকে জানায়।

হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আমিনুল হক সরকার বলেন, ‘ভুলবশত একটু উলটপালট হয়ে গিয়েছিল। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’

হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মাসুক আলী বলেন, এটি ইচ্ছাকৃত নাকি ভুলবশত, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।



সাতদিনের সেরা