kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ২৬ মে ২০২২ । ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৪ শাওয়াল ১৪৪

প্রণোদনা পাচ্ছেন না ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

২৬ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রণোদনা পাচ্ছেন না ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা

বাগেরহাটের শরণখোলায় আলু চাষে আগ্রহ কমছে চাষিদের। উৎপাদিত আলু সংরক্ষণ ও সহজ বাজারজাত করার ব্যবস্থা নেই। নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা পাচ্ছেন না সরকারি প্রণোদনা। সংরক্ষণ করতে না পারায় আলু নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়।

বিজ্ঞাপন

বাধ্য হয়ে কম দামে মাঠ থেকেই বিক্রি করতে হয় তাঁদের। লোকসানে পড়ে আলু চাষে উৎসাহ হারিয়ে ফেলছেন চাষিরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডরের পর থেকেই কৃষিতে বিপ্লব ঘটে উপকূলীয় শরণখোলায়। বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা সিডরবিধ্বস্ত এই জনপদকে কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেয়। সেই থেকে একফসলি জমিতে বছরে একাধিক ফসল উৎপাদন শুরু করে এ অঞ্চলের মানুষ। প্রথম দিকে কয়েক বছর শরণখোলার মাঠে সূর্যমুখী এবং ভুট্টার ব্যাপক চাষ হয়। কিন্তু এলাকায় নতুন এই ফসলের ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা ও বিপণন ব্যবস্থা না থাকার কারণে তেমন চাহিদা গড়ে ওঠেনি। যার ফলে এখন আর এসব ফসলের চাষ হচ্ছে না। তবে আলু চাষের ধারাবাহিকতা চাষিরা ধরে রাখলেও লোকসানে পড়ে তাও এখন দিন দিন কমছে।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, দুই বছর আগেও ১২৫ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। গত বছর হয়েছে ১০০ হেক্টরে। কিন্তু এ বছর চাষ হয়েছে মাত্র ৮৫ হেক্টর জমিতে। গত বছর ১০০ হেক্টর জমিতে দুই হাজার ২০০ টন আলু উৎপাদিত হয়েছে, যার বাজারমূল্য ছিল দুই কোটি ২০ লাখ টাকা।

শরণখোলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ওয়াসীম উদ্দিন বলেন, এলাকাটি উপকূবর্তী হওয়ায় এখানে বছরে কয়েকবার দুর্যোগ হানা দেয়। যার ফলে ক্ষতির মুখে পড়েন চাষিরা। এ জন্য আলু চাষে আগ্রহ কিছুটা কমছে চাষিদের। আমাদের জনবল সংকট রয়েছে। এখানে কোল্ডস্টোরেজ করা হলে আলুর পাশাপাশি অন্যান্য ফসলও সংরক্ষণ করা সম্ভব।

কৃষি কর্মকর্তা আরো বলেন, ‘চাষিদের প্রণোদনার বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদের তালিকা অনুযায়ী দেওয়া হয়। মাঠ পর্যায়ে চাষির তালিকা জনপ্রতিনিধিরা করেন। যে কারণে আলাদাভাবে কিছু করার সুযোগ থাকে না। ’



সাতদিনের সেরা