kalerkantho

শুক্রবার ।  ২৭ মে ২০২২ । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৫ শাওয়াল ১৪৪

কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে বেশি দামে সার বিক্রি

গাইবান্ধায় টিএসপি প্রতি কেজি ২২ টাকার স্থলে ৩০ টাকায় বিক্রি

গাইবান্ধা প্রতিনিধি   

২৫ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চলতি বোরো রোপণ মৌসুমে কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে গাইবান্ধায় ডিলার ও খুচরা সার বিক্রেতারা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে সার বিক্রি করছেন। বিশেষ করে ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি) ও মিউরেট অব পটাশ (এমওপি) সার অনেক বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। তার পরও জেলার বিভিন্ন বাজারে স্থানীয় কৃষি অধিদপ্তরের কোনো মনিটরিং চোখে পড়েনি। তবে কৃষি অধিদপ্তর সারের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

কৃষকদের অভিযোগ, তাঁদের কাছ থেকে সারের দাম বেশি নেওয়া হলেও ডিলাররা কোনো রসিদ দিচ্ছেন না। রসিদ চাইলে তাঁদের কাছে কোনো সার বিক্রি করবেন না বলে জানিয়ে দিচ্ছেন। ডিলারদের কাছে এভাবে জিম্মি হয়ে কৃষকরা অসহায় বোধ করছেন। তাঁরা এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেন।

জেলার সাদুল্যাপুর বাজারের খুচরা সার বিক্রেতা বিধু চন্দ্র সরকার, জয়নাল আবেদিন বাবু মিয়া ও সুমন চন্দ্র সাহার দাবি, ডিলাররা তাঁদের কাছে বেশি দাম রাখায় তাঁরা বেশি দামে সার বিক্রি করছেন। তবে এ বিষয়ে একই উপজেলার বিসিআইসি সার ডিলার দোলন চন্দ্র প্রামাণিক জানান, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম পাওয়ার কারণে বাজারে তার প্রভাব পড়েছে।

সাদুল্যাপুর উপজেলার ভাতগ্রামের কৃষক সুমন মিয়া জানান, ডিলার ও খুচরা সার বিক্রেতারা দোকানে মূল্যতালিকা টানিয়ে রাখলেও সেই অনুযায়ী বিক্রি করছেন না। তাঁরা প্রকাশ্যে টিএসপি প্রতি কেজি ২২ টাকার স্থলে ৩০ টাকা ও এমওপি ১৫ টাকার স্থলে ২০-২৫ টাকা দরে বিক্রি করছেন।  

এ ব্যাপারে গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. বেলাল উদ্দিন জানান, জেলায় সারের পর্যাপ্ত জোগান রয়েছে। এ ধরনের সমস্যার কোনো কারণ নেই।



সাতদিনের সেরা