kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ২৬ মে ২০২২ । ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৪ শাওয়াল ১৪৪

পুকুর ইজারা দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

তাড়াশ-রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি   

২৩ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিরাজগঞ্জের তাড়াশে মৎস্য চাষ (রাজস্ব) প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগীদের পুকুর নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে সাবলিজ দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। মথুরা দিঘি সুফলভোগী সমবায় সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেছেন সমিতির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সামাদ খন্দকারসহ একাধিক সদস্য। তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের নওগাঁ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, মৎস্য চাষ (রাজস্ব) প্রকল্পের আওতায় উপজেলার নওগাঁ গ্রামে আট একর আয়তনের মথুরা দিঘিটি অবস্থিত।

বিজ্ঞাপন

দিঘিটি উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর বিধি মোতাবেক দিঘির পারে বসবাসকারী ৬২ সদস্যের সমবায় সমিতিকে শর্ত সাপেক্ষে লিজ দেয়। কোনো সুফলভোগীর জন্য পুকুর বা দিঘি অন্যত্র সাবলিজ দেওয়ার কোনো বিধান নেই।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর থেকে মথুরা দিঘি সুফলভোগী সমবায় সমিতি বছরভিত্তিক ডিসিআর কেটে মথুরা দিঘিটি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করছিল। কিন্তু তিন মাস আগে ওই সমবায় সমিতির সভাপতি মো. নূরুল ইসলাম জুমা ও সাধারণ সম্পাদক গৌড় সরকার সদস্যদের না জানিয়ে এবং তাঁদের সিদ্ধান্ত ছাড়াই সাবলিজ দেন। সাবলিজ নিয়েছেন একই গ্রামের মৎস্য চাষি মো. সিদ্দিকুর রহমান। এ জন্য তিনি এক বছরের জন্য ছয় লাখ টাকা দিয়েছেন। ওই টাকার অংশ সদস্যদের না দিয়ে পুরো টাকাই সমবায় সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আত্মসাৎ করেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মশগুল আজাদ বলেন, ‘সাবলিজ দিয়ে থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’



সাতদিনের সেরা