kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ২৬ মে ২০২২ । ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৪ শাওয়াল ১৪৪

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩০ কিলোমিটার দূরে

দুর্ভোগে সীমান্তের মানুষ

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি   

২৩ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩০ কিলোমিটার দূরে

দুর্ভোগ - মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার প্রত্যন্ত পাঁচ ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ জরুরি চিকিৎসাসেবা পেতে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে। বাঁশে কাপড় বেঁধে দুজনের কাঁধে করে রোগীকে নেওয়া হচ্ছে হাসপাতালে। সম্প্রতি কর্মধা ইউনিয়ন থেকে তোলা। ছবি : কালের কণ্ঠ

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার প্রত্যন্ত পাঁচ ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ জরুরি চিকিৎসাসেবা পেতে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে। উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২০ থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরবর্তী হওয়ায় সীমান্তবর্তী শরীফপুর, হাজীপুর, পাহাড়ি অধ্যুষিত কর্মধা ইউনিয়ন এবং হাকালুকির তীরবর্তী বরমচাল ও ভুকশিমইল অঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষ তাদের কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছে। দূরবর্তী এসব এলাকার রোগীরা, বিশেষ করে মহিলাদের প্রসব, জরুরি চিকিৎসা নিতে উপজেলা সদরে যাতায়াত করতে বিলম্ব হয়। জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে স্বাস্থ্যসেবা পেতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

বিজ্ঞাপন

এসব অঞ্চলে জরুরি চিকিৎসার জন্য ২০ শয্যার হাসপাতাল স্থাপন করলে মানুষের চিকিৎসার মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে বলে মনে করছেন ভুক্তভোগী এলাকার সাধারণ জনগণ ও জনপ্রতিনিধিরা।

১৩ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত কুলাউড়া উপজেলার পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা হলো কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। হাসপাতালটি ৫০ শয্যা হওয়ায় দূরবর্তী এসব এলাকার লোকজনকে শয্যাসংকটের কারণে তাত্ক্ষণিকভাবে যেতে হয় মৌলভীবাজার কিংবা সিলেটে।

জানা যায়, জনবহুল ও প্রত্যন্ত অঞ্চল উপজেলার বরমচাল, শরীফপুর, কর্মধা, হাজীপুর, ভুকশিমইল ইউনিয়নে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের কয়েক লাখ মানুষের বসবাস। বরমচাল ও পাহাড়ি অধ্যুষিত কর্মধা ইউনিয়নে পাহাড়ের ভেতরে বিভিন্ন খাসিয়াপুঞ্জি রয়েছে। সেসব পুঞ্জির লোকজন জরুরি চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত। প্রতিটি গ্রাম থেকে উপজেলা সদরের দূরত্ব ২০ থেকে ৩০ কিলোমিটার।



সাতদিনের সেরা