kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ২৬ মে ২০২২ । ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৪ শাওয়াল ১৪৪

কাবিখার অর্থ নিয়ে নয়ছয়

মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি   

১৯ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কাবিখার অর্থ নিয়ে নয়ছয়

নেত্রকোনার মদন উপজেলার তিয়শ্রী ইউনিয়নের পাহাড়পুর গ্রামে বাস্তবায়নাধীন কাবিখা প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (ইউএনও) বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৪ নভেম্বর ২০২১-২২ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা) কর্মসূচির আওতায় সাধারণ প্রথম পর্যায়ে উপজেলার তিয়শ্রী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ‘পাহাড়পুর পাকা সড়ক থেকে জাগরণ বর্মণের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা মেরামত’ প্রকল্প অনুমোদন পায়। প্রকল্পে মাটি ভরাটের জন্য ১২.৫ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় পাঁচ লাখ ১২ হাজার টাকা।

বিজ্ঞাপন

এর আগে রাস্তার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় ৫৮ হাজার টাকা।

অভিযোগে প্রকাশ, গত বছর ওই প্রকল্পের জন্য যে ৫৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, সেই টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেছিল এলাকাবাসী। তা ছাড়া প্রকল্পটির পিআইসি কমিটির সভাপতি ইউপি সদস্য মনসুর মিয়া। এলাকায় তিনি প্রচার করছেন, পাঁচ লাখ ১২ হাজার টাকা নয়, প্রকল্পটির জন্য এবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মাত্র ৫০ হাজার টাকা। অর্থাৎ বাকি টাকা আত্মসাতের পাঁয়তারা চলছে। নতুন বরাদ্দের অর্থে এরই মধ্যে এক মাস মাটি কাটার কাজও করা হয়েছে।

প্রকল্পটির জন্য মাটি কাটার ভেকুর পরিচালক রিকন মিয়া বলেন, আমার ভেকু দিয়ে পাহাড়পুর রাস্তার মাটি কাটা হয়েছে। সেখানে মোট ২৪ হাজার টাকার মাটি কাটিয়েছে প্রকল্প কমিটি।

এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য মনসুর মিয়ার কাছে বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ জানতে চাইলে বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, প্রকল্পের কাজের একটি বিল পেয়েছি। মাটি কাটার কাজ চলমান রয়েছে।

মদনের উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শওকত জামিল বলেন, এ ব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রকল্প পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বুলবুল আহমেদ বলেন, ‘পাহাড়পুর গ্রামের কাবিখা প্রকল্পের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। প্রকল্পটির একটি বিল দেওয়া হয়েছে। বাস্তবায়িত প্রকল্প পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’



সাতদিনের সেরা