kalerkantho

বুধবার ।  ১৮ মে ২০২২ । ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৬ শাওয়াল ১৪৪৩  

পাহাড়ে পানির কষ্ট

দীঘিনালায় সুবিধাবঞ্চিত দুর্গম পাড়াবাসী

দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি   

১৭ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাহাড়ে পানির কষ্ট

চট্টগ্রামের দীঘিনালার হাজারপাড়ায় ছড়ার তলদেশে তৈরি একটি গর্ত থেকে পানি সংগ্রহ করে স্থানীয় শিশুরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার হাজাপাড়ায় শুকনা মৌসুমের শুরুতেই পানির জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে। বর্ষাকালে ছড়া ও কুয়ার পানি ভরসা হলেও তা শুকিয়ে গেছে।

এলাকাটি উপজেলার ১ নম্বর মেরুং ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিষ্ণু কার্বারী পাড়ায়। পাড়াটিতে ১০৫ পরিবারের বসবাস।

বিজ্ঞাপন

প্রায় সবাই দূর পাহাড়ে জুম চাষের ওপর নির্ভরশীল। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পাড়ায় পৌঁছতে দীর্ঘ হাঁটাপথ। সড়ক নির্মাণের কোনো কাজ করা হয়নি কখনো। এলাকাটি দুর্গম হওয়ায় নির্বাচনের সময় দু-একজন জনপ্রতিনিধি গেলেও পরে আর সে পাড়ার কোনো খোঁজখবর রাখেন না কেউ।

দীঘিনালায় কুয়ার তলদেশে ঠেকে গেছে পানি।    ছবি : কালের কণ্ঠ

 

হাজাপাড়ার কলেজ শিক্ষার্থী হগকান্তি ত্রিপুরা (২০) জানান, পুরো পাড়ায় কোনো নলকূপ নেই। পাথুরে পাহাড় বলে ধারেকাছে নলকূপ স্থাপনও করা যায় না। এ মৌসুমে পাড়ার পানির উৎস ছড়ার তলদেশে তৈরি করা ছোট একটি গর্ত। সেটিকে তিনি সিমেন্টের তৈরি একটি রিং দিয়ে ঘিরে রেখেছেন আবর্জনা থেকে রক্ষা করতে। সেখান থেকে পানি সংগ্রহ করতে সারা দিন লাইন ধরে এলাকাবাসী। হগকান্তির দাবি, রিংওয়েল স্থাপন করে দিলে তাঁদের পানির কষ্ট দূর হতো।

মেরুং ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ভুবন মোহন ত্রিপুরা জানান, তিনি মাত্র নির্বাচিত হয়েছেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম হাজাপাড়ার উন্নয়ন করবেন।



সাতদিনের সেরা