kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ মাঘ ১৪২৮। ১৮ জানুয়ারি ২০২২। ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

গ্রাহকের অজান্তে ৯০ লাখ টাকা ঋণ

সাতক্ষীরায় ব্যাংকে ঋণের আবেদন করেননি গ্রাহক

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি   

৯ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাতক্ষীরার এনআরবিসি ব্যাংকের কলারোয়া শাখায় আবেদন ছাড়াই গ্রাহকের নামে দেওয়া হয়েছে ঋণ। পরে কেউ একজন ঋণের ৯০ লাখ টাকা তুলেও নিয়েছেন। কিন্তু এসবের কিছুই জানেন না গ্রাহক শেখ অহিদুল ইসলাম।

প্রতারণার শিকার শেখ অহিদুল ইসলাম খুলনা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক। তিনি খুলনার রাজীব মোটরস নামের একটি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী। এ ঘটনায় অহিদুল ইসলাম খুলনার দৌলতপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। যেখানে তিনি এনআরবিসি ব্যাংকের কলারোয়া শাখা ব্যবস্থাপক গাজী মোশারফ হোসেন, ব্যাংক কর্মকর্তা সাহেদ শরীফ, বদিয়ার রহমান, ব্যবসায়ী আব্দুল হালিমসহ অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে বিবাদী করেছেন।

ব্যাংকের গ্রাহক শেখ অহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এনআরবিসি ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা এক বছর আগে আমার অফিসে আসেন পূর্বপরিচিত ব্যবসায়ী আব্দুল হালিমের সঙ্গে। তাঁরা আমাকে ব্যাংকটিতে একটি হিসাব খোলার অনুরোধ করেন। সেই অনুরোধে ব্যাংক হিসাবের একটি ফরমে আমি স্বাক্ষর করি এবং ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি দেই। তারপর থেকে ব্যাংকটির কোনো কর্মকর্তার সঙ্গেই আমার দেখা বা যোগাযোগ হয়নি। হিসাবটি আদৌ সচল হয়েছে কি না সেটিও আমি জানতাম না। নভেম্বর মাসে ব্র্যাক ও ইস্টার্ন ব্যাংকে আমি দুটি ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করি। তখন আমাকে এনআরবিসি ব্যাংক থেকে নেওয়া ৯০ লাখ টাকার ঋণের নথিপত্র জমা দিতে বলা হয়। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোয় (সিআইবি) খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, এনআরবিসি ব্যাংকের সাতক্ষীরার কলারোয়া শাখা থেকে আমার নামে ৯০ লাখ টাকার ঋণ নেওয়া হয়েছে।’

এনআরবিসি ব্যাংক কলারোয়া শাখা ব্যবস্থাপক গাজী মোশারফ হোসেন বলেন, ‘তাঁর সঙ্গে কিছুটা ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে। বিষয়টি মীমাংসাও হয়ে গেছে।’

জিডির বিষয়টি স্বীকার করে দৌলতপুর থানার ওসি নুরুল ইসলাম জানান, জিডিটি নথিভুক্ত করে দুদক খুলনা কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।



সাতদিনের সেরা