kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৩ মাঘ ১৪২৮। ২৭ জানুয়ারি ২০২২। ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

মাদারীপুরে বানরের খাবার বিতরণে অনিয়ম

মাদারীপুর সংবাদদাতা   

৯ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাদারীপুরে বানরের খাবার বিতরণে অনিয়ম

মাদারীপুর সদর উপজেলার চরমুগরিয়ায় বানরগুলোকে প্রায়ই অভূক্ত থাকতে হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

মাদারীপুর সদর উপজেলার চরমুগরিয়ার প্রায় আড়াই হাজার বানর বছরে ১৪৪ দিন সরকারি খাবার পায়। খাদ্যের প্রাকৃতিক উৎস নষ্ট হওয়ায় বাকি ২২১ দিন তাদের কার্যত না খেয়ে থাকতে হয়। বন ও পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

বন সূত্র জানায়, বানরের জন্য ১৬ লাখ ৭২ হাজার টাকা বরাদ্দ।

বিজ্ঞাপন

প্রতিবার ২৪৫ কেজি করে খাবার দেওয়ার কথা রয়েছে। যার মধ্যে ১২০ কেজি সাগরকলা অথবা সবরিকলা, ১০০ কেজি পাউরুটি ও ২৫ কেজি চিনাবাদাম। এসব খাবার বিতরণ করার জন্য মাদারীপুর বন বিভাগের সঙ্গে ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স কাজল এন্টারপ্রাইজের মধ্যে চুক্তি রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রতি সপ্তাহের রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার বানরদের খাওয়ায়। চরমুগরিয়ার পিটিআই গেট, নতুন সেতুর গোড়া, পুলিশ ফাঁড়িসংলগ্ন নদীর পার, লস্কর মার্কেটের উত্তর পার ও দক্ষিণ পার, চরমুগরিয়া মিলগেট, বশির করাতকল, কলেজ চত্বর, গরুর হাট, মধ্য খাগদী লুৎফর শরীফের বাড়ির পাশে খাবার বিতরণ করে।

স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করে, তারা মাঝেমধ্যে দু-একবার বন বিভাগের লোকজনকে কিছু খাবার এনে বানরদের খাওয়াতে দেখে। তবে তা খুবই সামান্য। সরকারি বরাদ্দের সিকি ভাগও খাওয়ানো হয় না।

পশ্চিম খাগদী গ্রামের পঞ্চাশোর্ধ্ব বাসিন্দা মমতাজ বেগম বলেন, ‘বানরগুলো খাবারের জ্বালায় আমাদের ঘরের টিনের চালে সারা রাত লাফালাফি-দাপাদাপি করে। ’

মাদারীপুর বন্য প্রাণী সংরক্ষণ পরিষদের সমন্বয়কারী অজয় কুণ্ডু বলেন, ‘খাদ্যসংকটের কারণে বানরগুলো অন্যত্র চলে যাচ্ছে। ’

অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা ভারপ্রাপ্ত বন ও পরিবেশ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, প্রতিদিন যাতে খাবার বিতরণ করা যায়, সে জন্য একটি পরিকল্পনা রয়েছে। বরাদ্দ পেলে সেটা করা সম্ভব।



সাতদিনের সেরা