kalerkantho

সোমবার । ৩ মাঘ ১৪২৮। ১৭ জানুয়ারি ২০২২। ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

চোখ বেঁধে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে নির্যাতন

লক্ষ্মীপুর ও শেরপুর প্রতিনিধি   

২ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চোখমুখ বেঁধে এক গৃহবধূকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার সকালে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরলরেন্স গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর শরীরে যৌন ও শারীরিক নির্যাতনের ক্ষত থাকলেও তিনি মারধরের কথা বলেছেন।

ওই গৃহবধূ জানান, তাঁর স্বামী মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গেছেন। মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে একটি অপরিচিত মুঠোফোন নম্বর থেকে স্বামী পরিচয় দিয়ে ঘরের দরজা খুলতে বলা হয়। দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর চোখ-মুখ বেঁধে ফেলা হয়। পরে তাঁকে বাড়ির পাশের একটি ধানক্ষেতে নিয়ে দুই-তিনজন মিলে নির্যাতন করে।

সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, ওই নারীকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কমলনগর থানার ওসি মোসলেহ উদ্দিন বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে।

গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩

শেরপুরের শ্রীবরদীতে এক গৃহবধূকে (২০) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা হলেন লঙ্গরপাড়া গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে কামরুজ্জামান (২৩), দুদু মিয়ার ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৭) ও জামালপুরের দেউরপাড়া গ্রামের আব্দুল শেকের ছেলে নৈশপ্রহরী আয়নাল হক (৫০)। তাঁদের গতকাল বুধবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়।

শ্রীবরদী থানার ওসি বিপ্লব কুমার বিশ্বাস জানান, ওই গৃহবধূ বাবার বাড়িতে কয়েক দিন আগে বেড়াতে আসেন। কিছুদিন আগে গ্রেপ্তার কামরুজ্জামান গৃহবধূর কাছ থেকে এক হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। গত সোমবার দুপুরে পাওনা টাকা চাইতে যান ওই নারী। সন্ধ্যায় টাকা দেওয়ার কথা বলে কামরুজ্জামান ও শফিকুল তাঁকে লঙ্গরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ডেকে নেন। নৈশপ্রহরী আয়নাল হক তাঁকে চারতলায় নিয়ে যান। রাত ১০টার দিকে যৌন নির্যাতন করেন।



সাতদিনের সেরা