kalerkantho

সোমবার । ৩ মাঘ ১৪২৮। ১৭ জানুয়ারি ২০২২। ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

পটিয়ায় ইউপি নির্বাচন

ভুল সংশোধনীর নামে টাকা আদায় রিটার্নিং অফিসারের

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

৩০ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চট্টগ্রামের পটিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনৈতিকভাবে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত রবিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে তিন ইউনিয়নের সদস্য ও নারী সদস্য প্রার্থীর ভিড় দেখা যায়। এ সময় সেখানে গেলে একাধিক প্রার্থী রিটার্নিং অফিসারের বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের অভিযোগ করেন।

আগামী ২৬ ডিসেম্বর পটিয়া উপজেলার ২৭টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২৭টি ইউনিয়নে নির্বাচনের জন্য চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিস থেকে ছয়জন রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা পিপলু চন্দ্র নাথ আশিয়া, খরনা ও শোভনদণ্ডী ইউনিয়নের রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পেয়েছেন। খরনা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী অনুপ দত্ত বলেন, ‘আমাকে রিটার্নিং অফিসার অফিস থেকে কল করে ডেকে আনা হয়। আমি আসার পর পিপলু চন্দ্র নাথ অফিসের এক কর্মকর্তার সঙ্গে আমাকে যোগাযোগ করতে বলেন। আমি ওই কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে ওই কর্মকর্তা আমাকে বলেন, আপনার মনোনয়ন ফরমে কিচু ভুল আছে। তা যদি সংশোধন করতে হয় তাহলে ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে।’ শোভনদণ্ডী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী নুরু উদ্দিন বলেন, ‘আমারও মনোনয়ন ফরমে ভুল হয়েছে বলে জানিয়েছেন। তা সংশোধনের জন্য পাঁচ হাজার টাকা দাবি করলেও আমি দেড় হাজার টাকা দিয়েছি।’ এ রকম অনেকের কাছ থেকে পাঁচ হাজার, ১০ হাজার করে টাকা নিয়েছেন পিপলু চন্দ্র নাথ। শোভনদণ্ডী ইউনিয়নের বর্তমান মহিলা মেম্বার নাছিমা আকতার বলেন, ‘সংশোধনের নামে বহু প্রার্থীর কাছে অর্থ দাবি করেছেন। কেউ দিয়েছেন, কেউ দেননি।’ খরনার আলমগীর নামের এক সদস্য প্রার্থী বলেন, ‘আমার কাছ থেকে সংশোধনের নামে তিন হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে পরে ফেরত দিয়েছেন।’

এ ব্যাপারে রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা পিপলু চন্দ্র নাথ বলেন, ‘মূলত কিছু প্রার্থীর মনোনয়ন ফরমে ভুল ছিল। কারো ওভাররাইটিং হয়েছে, কারো লেখার মধ্যে কাটাছেঁড়া দেখা গেছে। তাঁদের ডেকেছি সংশোধন করে দেওয়ার জন্য। এখানে কোনো ধরনের অর্থ লেনদেনের ঘটনা ঘটেনি।’ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আরাফাত আল হোসাইনী বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’



সাতদিনের সেরা