kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৩ মাঘ ১৪২৮। ২৭ জানুয়ারি ২০২২। ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

বাসচালককে পিটিয়ে হত্যা মহাসড়ক অবরোধ

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

২৮ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ থানার আতুরার ডিপো এলাকায় গত শুক্রবার রাতে আব্দুর রহিম নামের এক বাসচালককে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে গতকাল শনিবার সকালে হাটহাজারীতে সড়ক অবরোধ করেন পরিবহন শ্রমিকরা।

অবরোধের ফলে চট্টগ্রাম-হাটহাজারী-খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ভোর ৬টা থেকে শ্রমিকরা সড়কে কোনো গাড়ি চলতে না দেওয়ায় তিন মহাসড়কে হাজার হাজার যাত্রী চরম দুর্ভোগে পড়ে। প্রায় তিন ঘণ্টা পর সকাল ৯টার দিকে পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন শ্রমিকরা।

বিজ্ঞাপন

নিহত আব্দুর রহিম ৩ নম্বর সিটি সার্ভিস বাসের চালক ছিলেন। তাঁর বাড়ি রাউজান উপজেলার গহিরা এলাকায়।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানাধীন আমিন জুটমিল ১ নম্বর গেট এলাকায় একটি মাইক্রোবাসকে অতিক্রম করতে না দেওয়ায় হাটহাজারীর দ্রুতযান স্পেশাল বাস সার্ভিস নামের পরিবহনের বাসচালক আব্দুর রহিমকে বেধড়ক মারধর করে মাইক্রোবাসটির যাত্রীরা। পরে বাসটির অন্য যাত্রীরা তাঁকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে মারা যান তিনি।

ওই ঘটনার প্রতিবাদে এবং দোষীদের বিচার দাবিতে গতকাল শনিবার সকালে হাটহাজারী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন পরিবহন শ্রমিকরা। তাঁরা সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত হাটহাজারীতে চট্টগ্রাম-হাটহাজারী-খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে সড়কের উভয় দিকে আটকা পড়ে সব ধরনের যানবাহন। দুর্ভোগে পড়ে হাজার হাজার যাত্রী। প্রায় তিন ঘণ্টা পর হাটহাজারী থানার ওসি ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহাদাত হোসাইন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের গ্রেপ্তার করে শাস্তি নিশ্চিতের আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেন।

চট্টগ্রাম পরিবহন মালিক গ্রুপের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান বলেন, ‘রাস্তায় সাইড না দেওয়ার মতো তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমাদের এক বাসচালককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর সহকর্মীরা বিক্ষোভ করেছেন। এ আন্দোলন শ্রমিকদের আন্দোলন, অকালে সহকর্মীকে হারানোর প্রতিবাদে আন্দোলন। আমরা এ ঘটনার দ্রুত বিচার দাবি করছি। হামলায় জড়িতদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আইনের আওতায় আনতে হবে। ’ অন্যথায় শ্রমিকরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন এই শ্রমিক নেতা।



সাতদিনের সেরা