kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২ ডিসেম্বর ২০২১। ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৩

তৃণমূলের তালিকা পাল্টাল জেলা

সুনামগঞ্জে ইউপি নির্বাচন

নিজস্ব প্রতিবেদক, হাওরাঞ্চল ও সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি   

২৩ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দুটি ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীর তালিকা পাল্টে দিয়েছে সুনামগঞ্জ সদর ও জেলা আওয়ামী লীগ। এ ছাড়া কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার একটি ইউনিয়নে প্রার্থীর নামের পাশে বিদ্রোহী লেখা হয়নি।

সুনামগঞ্জ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জানান, গত ১০ অক্টোবর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী বাছাই করতে জরুরি বৈঠকে বসে। আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাবগুলো রেজল্যুশন করা হয়। মঈনুল হকের নাম তালিকায় প্রথমে দিয়ে তিন প্রার্থীর নাম উপজেলায় পাঠায় মোহনপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ। উপজেলা আওয়ামী লীগ তা জেলা আওয়ামী লীগের কাছে পাঠায়। কিন্তু জেলা আওয়ামী লীগ মঈনুলের নাম কেটে আব্দুর রশিদের নাম প্রথমে দিয়ে তালিকাটি গত বুধবার কেন্দ্রে পাঠায়।

একইভাবে কাঠইর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ রেজল্যুশন করে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বুরহান উদ্দিনকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য নাম পাঠায়। কিন্তু উপজেলা আওয়ামী লীগ আজিজুর রহমান ইরানীকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় হিসেবে তালিকায় যুক্ত করে জেলায় পাঠায়। আবার জেলা বুরহান উদ্দিনকে দ্বিতীয় ও আজিজুর রহমান ইরানীর নাম প্রথমে দিয়ে কেন্দ্রে পাঠিয়েছে।

মোহনপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হেমন্ত তালুকদার বলেন, ‘গতবার দেড় শ ভোটে পরাজিত দলীয় প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা সন্তান মঈনুল। এখন খবর পেয়েছি, জেলা তাঁর নাম কেটে দিয়েছে।’

কাঠইর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত তালুকদার সেতু বলেন, ‘জনপ্রিয়তা ও আওয়ামী আদর্শে নিবেদিতপ্রাণ ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী বুরহান উদ্দিন। এই তালিকা এদিক-সেদিক করা হয়েছে।’

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল কবির ইমন বলেন, ‘জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহনপুর ইউনিয়নে তৃণমূল আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা আব্দুর রশিদের নাম সুপারিশ করেছেন। তাই মঈনুল হকের নাম কেটে দেওয়া হয়েছে।’

নিকলীতে ‘বিদ্রোহী’ না লিখে কেন্দ্রে তালিকা

বিগত নির্বাচনে দলের মনোনয়ন না পেয়ে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হয়ে কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার জারইতলা ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন কামরুল ইসলাম মানিক। এবারের নির্বাচনেও দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী। কিন্তু স্থানীয় আওয়ামী লীগ কেন্দ্রে যে প্রার্থী তালিকা পাঠিয়েছে, তাতে এ প্রার্থীর নামের পাশে ‘বিদ্রোহী’ লেখা হয়নি।

জারইতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমল হোসেন আফরোজ দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বরাবর গত বুধবার লিখিত অভিযোগ করেছেন। সভানেত্রীর দপ্তরে দাখিল করা অভিযোগে বলা হয়, সে সময়ে বিদ্রোহী প্রার্থী মানিক চশমা প্রতীকে নির্বাচন করে নৌকার প্রার্থী আজমল হোসেনকে পরাজিত করেন। অথচ এবারের তালিকায় প্রথমেই তাঁর নাম লেখা হয়েছে।



সাতদিনের সেরা