kalerkantho

সোমবার । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৯ নভেম্বর ২০২১। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

৪০ বছর পর ঠিকানায় মিনতি

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি   

১৯ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৪০ বছর পর ঠিকানায় মিনতি

পরিবারের সঙ্গে মিনতি (বাঁয়ে)

মিনতি বেগম (৪৬)। ৪০ বছর আগে হারিয়ে গিয়েছিলেন। অবশেষে গত রবিবার শাহরুখ নয়ন নামের এক যুবকের উদ্যোগে পরিবারকে ফিরে পেয়েছেন তিনি। নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার মশিন্দা ইউনিয়নের রানীগ্রাম এলাকার বাছের আলীর মেয়ে মিনতি। ছয় বছর বয়সে রেলস্টেশন থেকে হারিয়ে যান তিনি। দীর্ঘদিন পর মা-বাবা ও স্বজনদের কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত তিনি।

জানা যায়, মিনতিরা চার ভাই-বোন। এর মধ্যে মিনতি ছোট। ছয় বছর বয়সে চাচাতো বোন ও দুলাভাইয়ের সঙ্গে ময়মনসিংহে বেড়াতে যায়। দুলাভাইয়ের সঙ্গে ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ স্টেশনে হারিয়ে যায় মিনতি। অনেক খোঁজ করে না পেয়ে হতাশ হয়ে বাড়ি ফেরেন বোন ও দুলাভাই।

মিনতি বেগম বলেন, ‘আমাকে কান্নারত অবস্থায় পেয়ে মসলেম উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি তাঁর বাসায় নিয়ে যান। তাঁর বাড়িতেই মেয়ের মতো বড় হতে থাকি। প্রাপ্তবয়স্ক হলে গাজীপুরের শ্রীপুর এলাকার ব্যবসায়ী বোরহান উদ্দিনের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। বর্তমানে আমি চার কন্যাসন্তানের মা। তিন মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি। বড় মেয়ে-জামাই ঢাকায় থাকে। তাদের সঙ্গে পরিচয় হয় গুরুদাসপুর উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নের মকিমপুর গ্রামের উদ্যোক্তা শাহরুখ নয়নের। মূলত তাঁর মাধ্যমেই খুঁজে পাই পরিবারকে। নিজের মা-বাবা ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছে পেয়ে আমি অনেক খুশি।’

উদ্যোক্তা শাহরুখ নয়ন বলেন, ‘মিনতি বেগমের বড় মেয়ের স্বামী আমার পূর্বপরিচিত। তাঁর কাছেই মিনতি বেগমের জীবনের গল্প শুনি। পরে মিনতি বেগমের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, বৃহত্তর রাজশাহী জেলার কাছিকাটা গ্রামে তাঁর বাপ-দাদার বাড়ি। পরে আমি ওই এলাকায় এসংক্রান্ত লিফলেট বিতরণ করি। এভাবে খুঁজতে খুঁজতে রানীগ্রাম এলাকা থেকে আমার কাছে ফোন আসে।’



সাতদিনের সেরা