kalerkantho

রবিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৮ নভেম্বর ২০২১। ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩

ছয় ফুট বালুর নিচে সাবরেজিস্ট্রি অফিস

মোংলা

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

১৭ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ছয় ফুট বালুর নিচে সাবরেজিস্ট্রি অফিস

বাগেরহাটের মোংলায় একাধিকবার মাঠ ভরাট করায় ছয় ফুট বালুর নিচে চলে গেছে সাবরেজিস্ট্রি ভবনটি। বালুর চাপে ভবনের চারদিকের দেয়ালে অসংখ্য ফাটল ধরেছে। তা ছাড়া এটি ৩৭ বছরের পুরনো জরাজীর্ণ ভবন হওয়ায় ছাদের পলেস্তারা খসে খসে পড়ছে। এর মধ্যেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে ভূমি নিবন্ধনের কার্যক্রম।

উপজেলা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের দেওয়া তথ্যে জানা যায়, ভবনটি ১৯৮৪ সালে নির্মিত হয়। ১৯৮৬ সাল থেকে ভবনটিকে উপজেলা মুন্সেফ কোর্ট বা আদালত হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ১৯৯১ সালে উপজেলা মুন্সেফ কোর্ট ব্যবস্থা বিলুপ্ত হলে ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকে। পরবর্তী সময়ে ১৯৯৪ সালে ওই ভবনেই উপজেলা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের কার্যক্রম শুরু হয়। এই অফিসে বর্তমানে ১৭ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী রয়েছেন। এ ছাড়া ৩১ জন সনদপ্রাপ্ত দলিল লেখক ও দলিল লেখকের সহকারী হিসেবে প্রায় ২০০ জন কাজ করছেন। এখানে প্রতিদিন শত শত লোক জমি রেজিস্ট্রির কাজে আসে।

সরেজমিনে সাবরেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, ভবনটির চারদিকের দেয়াল খসে খসে পড়ছে। সামনের মাঠটি চারবার বালু দিয়ে ভরাট করা হয়েছে। এতে ভবনটি প্রায় ছয় ফুট বালুর নিচে চলে গেছে। ভবনের চারদিকের দেয়ালে অসংখ্য ফাটল রয়েছে। তা ছাড়া লবণ অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় দেয়ালে নোনাও ধরেছে।

মোংলা দলিল লেখক সমিতির সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এটি যেকোনো সময় ধসে পড়ে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।’ দলিল লেখক মুরাদ শেখ বলেন, ‘এর আগে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে অফিসের কয়েকজন আহত হয়েছেন।’

মোংলা উপজেলা সাবরেজিস্ট্রার জুবায়ের হোসেন বলেন, ‘এ ব্যাপারে বেশ কয়েকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরও কোনো প্রতিকার পাইনি।’ উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিলে উপজেলা পরিষদ থেকে জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হবে।



সাতদিনের সেরা