kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ কার্তিক ১৪২৮। ২৮ অক্টোবর ২০২১। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

চাঁদপুর আইসিডিডিআরবিতে ভিড়

চাঁদপুর প্রতিনিধি   

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চাঁদপুর আইসিডিডিআরবিতে ভিড়

চাঁদপুরের মতলবে আইসিডিডিআরবির হাসপাতালে পেটের পীড়ায় আক্রান্ত রোগীর ভিড় বাড়ছেই। মৌসুমের এই সময় আবহাওয়াজনিত কারণে কলেরা, ডায়রিয়াসহ নানা ধরনের পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। শুধু চাঁদপুর নয়, আশপাশের জেলা থেকেও রোগী আসছে বিশেষায়িত এই হাসপাতালটিতে।

একদিকে ঋতু পরিবর্তন, অন্যদিকে আবহাওয়াজনিত কারণে পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হচ্ছে নানা বয়সের মানুষ। তাই এই সময় শুধু ডায়রিয়ার রোগীই নয়, কলেরায় আক্রান্ত রোগীর চাপও বাড়ছে চাঁদপুরের মতলবে আইসিডিডিআরবির বিশেষায়িত এ হাসপাতালে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিদিন এই হাসপাতালে চাঁদপুরের আশপাশের জেলাগুলো থেকেও চিকিৎসাসেবা নিতে আসছে রোগীরা।

গতকাল সোমবার আইসিডিডিআরবির এই হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলো ঘুরে দেখা গেছে, রোগীর প্রচণ্ড ভিড়। ব্যস্ত সময় পার করছেন চিকিৎসকসহ নার্সরা। আর কাঙ্ক্ষিত সেবা ও দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে পেরে খুশি রোগী এবং তাদের স্বজনরা।

কুমিল্লার লাকসামের জ্যোত্স্না বেগম (৪২) অসুস্থ হয়ে গত রবিবার রাতে এই হাসপাতালে ভর্তি হন। গতকাল সোমবার দুপুরে পুরোপুরি সুস্থ হন তিনি। একই জেলার দেবীদ্বার উপজেলা থেকে আড়াই মাসের শিশু আরিশা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হলে তার মা তাকে নিয়ে আসেন এই হাসপাতালে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শিশুটি সুস্থ হয়ে ওঠে।

জানা গেছে, বছরের অন্য সময় প্রতিদিন এই হাসপাতালে ৬০-৭০ জন রোগী ভর্তি হলেও এখন সেই সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে গেছে। সিনিয়র মেডিক্যাল অফিসার চন্দ্রশেখর দাস জানান, প্রতিদিন ভর্তি হওয়া মোট রোগীর মধ্যে ১০ শতাংশই কলেরায় আক্রান্ত। গত সেপ্টেম্বর মাসের তুলনায় চলতি মাসে রোগীর সংখ্যা আনুপাতিক হারে অনেক বেড়েছে।

অন্যদিকে মৌসুমের এই সময় পেটের নানা ধরনের পীড়া থেকে রক্ষা পেতে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন হাসপাতালের প্রধান, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আল ফজল খান। তিনি জানান, বর্ষার আগে ও পরে পানিবাহিত রোগে বেশির ভাগ মানুষ আক্রান্ত হয়। তবে গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় আগেই হাসপাতালে ভর্তির জন্য বলেন তিনি।

চাঁদপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. সাখাওয়াত উল্লাহ জানান, সার্বিকভাবে জেলার ডায়রিয়া পরিস্থিতি বেশ উন্নত। মতলবের বিশেষায়িত হাসপাতাল ছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কিংবা চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে পেটের পীড়ায় আক্রান্ত রোগীর চাপ নেই বললেই চলে। এমন পরিস্থিতিতে এই জেলায় ডায়রিয়া কিংবা কলেরায় মৃত্যুর কোনো ঘটনা ঘটেনি।



সাতদিনের সেরা