kalerkantho

বুধবার । ৪ কার্তিক ১৪২৮। ২০ অক্টোবর ২০২১। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

কর্তার বিরুদ্ধে ইউজিসির তদন্ত

যবিপ্রবিতে অবৈধ পন্থায় নিয়োগের অভিযোগ

যশোর প্রতিনিধি   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও পূর্ত দপ্তরের উপপরিচালক ড. আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে অবৈধ পন্থায় নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে আপন ভাগ্নে মো. হুমায়ূনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব দপ্তরে চাকরি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুদকের অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে তদন্ত করছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

অভিযোগ তদন্তের জন্য গত ২২ সেপ্টেম্বর দুই সদস্যের কমিটি গঠন করে ইউজিসি। কমিটিকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চিঠিতে ড. আব্দুর রউফের অনিয়মের বিষয়টি জানানো হলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন তা তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয়। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামানকে আহ্বায়ক ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের উপপরিচালক মৌলি আজাদকে সদস্যসচিব করে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, কোনো ধরনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই ২০০৯ সালে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের সেকশন অফিসার (গ্রেড-১) পদে চাকরি পান ড. আব্দুর রউফ। এরপর তিনি দুইবার পদোন্নতি পেয়ে বর্তমানে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০৯ সালের ২৩ এপ্রিল যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৮টি পদে ৬১ জনকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে সহকারী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করেন আব্দুর রউফ। কিন্তু এই পদে কমপক্ষে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়। সেই অভিজ্ঞতা না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আব্দুর রউফের আবেদনপত্রটি বাতিল করে দেয়। তবে তাঁর আবেদনপত্র বাতিল হলেও তৎকালীন কমিটির সঙ্গে যোগসাজশে পরবর্তী সময়ে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের সেকশন অফিসার (গ্রেড-১) পদে চাকরি পান আব্দুর রউফ। সেই নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি।

এ বিষয়ে যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে সম্প্রতি অভিযোগ করেছে দুদক। অভিযোগে রউফের বিজ্ঞপ্তি ছাড়া নিয়োগপ্রক্রিয়া ও বয়সসীমা উপেক্ষা করে চাকরির বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ড. আব্দুর রউফ অভিযুক্ত হলে ইউজিসির নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।’



সাতদিনের সেরা