kalerkantho

বুধবার । ৪ কার্তিক ১৪২৮। ২০ অক্টোবর ২০২১। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ময়ূর নদের নাভিশ্বাস

গৌরাঙ্গ নন্দী, খুলনা   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খুলনা মহানগরীর পশ্চিম পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীপ্রবাহটি একসময় গল্লামারী খাল নামে পরিচিতি ছিল। প্রকৃত নাম ময়ূর নদ। একসময় এর স্বচ্ছ মিষ্টি পানির ধারা শহরের প্রান্ত আগলে ছিল। ধীরে ধীরে ময়ূর নদের পারে বসতি বেড়েছে। ময়ূরের উত্তর প্রান্ত আটকে দিয়ে আর দক্ষিণ প্রান্তে স্লুইস গেট বানিয়ে বদ্ধ জলাশয়ে পরিণত করা হয়েছে। নদের পানি কমেছে। কচুরিপানায় পূর্ণ। পার, নদীর অংশ দখল হয়েছে। ময়লা-আবর্জনা ফেলে ভরাট করার চেষ্টা চলেছে। ময়ূরের বুকজুড়ে এখন শুধুই হাহাকার। নদের পানি দুর্গন্ধযুক্ত, কালচে বিবর্ণ।

সর্বশেষ নদের পার দখলদার হিসেবে ৪৬০ জন এবং ৩৮২টি অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছিল। উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, নদের জমিতে গড়ে ওঠা সব স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়নি। আবার উদ্ধার হওয়া জমিতে নতুন করে কোনো স্থাপনা তৈরি না হলেও ময়লা-আবর্জনা ফেলে দখলের পাঁয়তারা চলছে। এই নদটি নিয়ে যত কথা হয়, কাজ হয়েছে তার অনেক কম; আর সময়ের সঙ্গে সঙ্গেই নদীটি শুকিয়ে মরতে বসেছে। এখন তার নাভিশ্বাস দশা। গতকাল সরেজমিন দেখা গেছে, রায়েরমহলের কাছের তিন ভেন্টের (কপাট) স্লুইস গেট থেকে সোনাডাঙ্গার দিকে ময়ূর কচুরিপানায় পূর্ণ। দু্পারের জমিতে ছোট-বড় স্থাপনা, বেসরকারি আবাসন কম্পানির সাইনবোর্ড, জায়গা দখলের জন্য নির্দেশক বাঁশ-খুঁটি-বেড়া। পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদা কালের কণ্ঠকে বলেন, ময়ূর নদকে জলাধার হিসেবেও গড়ে তোলা যায়। কিছু মানুষের দখলদারি মানসিকতার কারণে এই নদটির অবস্থা খুবই করুণ।



সাতদিনের সেরা