kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ কার্তিক ১৪২৮। ২৮ অক্টোবর ২০২১। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

চিতলমারীতে খাল পুনঃখননে অনিয়ম

চিতলমারী-কচুয়া (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কচুবুনিয়া-শরত্খালী খাল। বাগেরহাটের চিতলমারীর এই খাল আবার খনন করা হয়েছে, তা-ও প্রায় ৪০ বছর পর। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ক্ষুদ্রাকার পানিসম্পদ প্রকল্পের আওতায় খালটি পুনঃখনন করা হয়েছে। কিন্তু এ কাজে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন স্থানে খালপারে ফাটল দেখা দিয়েছে।

গ্রামবাসী জানায়, চরবানিয়ারী ইউনিয়নের উমাজুড়ি, শ্যামপাড়া, আদিখালী, কাঠিপাড়া বিলের মধ্যে কচুবুনিয়া-শরত্খালী খালটি সম্প্রতি পুনঃখনন করা হয়েছে। এ কাজের জন্য এলজিইডি প্রায় ৪১ লাখ ২৭ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়।

কচুবুনিয়া-শরত্খালী পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি গুরুপদ বৈরাগীর নেতৃত্বে খালটি পুনঃখনন করা হয়েছে। কিন্তু যেভাবে কাজটি করা হয়েছে তাতে হাজার হাজার কৃষক ও মৎস্য চাষির কাঙ্ক্ষিত উপকার হবে না।

আদিখালী গ্রামের রিপন মোল্লা, আলামিন গাজী ও মোজাহার গাজীসহ কয়েকজন অভিযোগ করেন, খালের দুই পারে কোদাল দিয়ে মাটি কাটা হয়েছে। কোনো কোনো স্থানে এক পারের মাটি আংশিক খনন করা হয়েছে। এর বিপরীত পারে খাসজায়গা থাকলেও সেখানে মাটি খনন করা হয়নি। খালের গভীরতাও কম। বিভিন্ন স্থানে পার ধসে সেই মাটি খালের মধ্যেই পড়েছে। কিন্তু মাটি সরানোর কোনো উদ্যোগ নেই। তাঁদের মতে, গ্রামের বিলের মধ্যে বলে খননকাজের অনিয়ম, দুর্নীতি কর্তৃপক্ষের নজর এড়িয়ে গেছে।

বক্তব্য নিতে কচুবুনিয়া-শরত্খালী পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি গুরুপদের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ধরেননি। তবে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী জাকারিয়া ইসলাম বলেন, ‘কচুবুনিয়া-শরত্খালী খাল পুনঃখননে অনিয়মের অভিযোগ শুনে পুরো বিল দেওয়া হয়নি। অভিযোগ তদন্ত শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’



সাতদিনের সেরা