kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩ কার্তিক ১৪২৮। ১৯ অক্টোবর ২০২১। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

দশমের ছাত্রীদেরই বেশি বিয়ে

কোটালীপাড়া ও দুর্গাপুর

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) ও দুর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধি   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনায় দেড় বছর বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে অনেক ছাত্রী। বইপত্র ছেড়ে বাধ্য হয়ে তাদের কাঁধে তুলে নিতে হয়েছে সংসারের বোঝা। বাল্যবিয়ের শিকার হওয়া বেশির ভাগ শিক্ষার্থীই দশম শ্রেণির ছাত্রী কিংবা এসএসসি পরীক্ষার্থী।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কলাবাড়ী ইউনিয়নের কুমারী রেখা রানী গার্লস হাই স্কুল থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য ফরম পূরণ করে ৯ ছাত্রী। তাদের মধ্যে পাঁচজনেরই বিয়ে হয়ে গেছে। উপজেলার নির্মল সেন স্কুল অ্যান্ড মহিলা কলেজের ৯ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছয়জনেরই বিয়ে হয়েছে।

কোটালীপাড়া উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা শ্রীময়ী বাগচী বলেন, ‘করোনার আগে এই উপজেলায় বাল্যবিয়ের সংখ্যা কম ছিল। করোনার মধ্যে হঠাৎ করে এ সংখ্যা বেড়ে গেছে। তবে আমরা প্রতিনিয়ত বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছি।’

রাজশাহীর দুর্গাপুরেও বেশির ভাগ দশম শ্রেণির ছাত্রী কিংবা এসএসসি পরীক্ষার্থী বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে। তবে ওই সব শিক্ষার্থীকে স্কুলে ফেরানোর চেষ্টার চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষকরা। দুর্গাপুর পাঁচুবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি অনেকটাই কম। বিশেষ করে ছাত্রীদের ক্ষেত্রে এটা বেশি। আমরা খবর নিয়ে দেখেছি, অনেক ছাত্রীর বিয়ে হয়ে গেছে।’ দুর্গাপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উপস্থিতি কিছুটা কম। আমরা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মনিটর করছি। একই সঙ্গে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের শতভাগ শিক্ষামুখী করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’



সাতদিনের সেরা