kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ভাতিজাকে মেঝেতে পুঁতে রাখেন চাচি

শিবচর

শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাদারীপুরের শিবচরে অপহরণের তিন দিন পর পাশের শরীয়তপুরের জাজিরায় চাচার বাড়ির ভবনের নির্মাণাধীন টয়লেটের মেঝের নিচ থেকে বালুচাপা শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। চাচির দেখিয়ে দেওয়া স্থান থেকে গতকাল শুক্রবার ভোরে দুই বছর চার মাসের শিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিবচরের বাংলাবাজারের ওহাব ব্যাপারির ছেলে আবুল হোসেন ব্যাপারির মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী নার্গিস দুই ছেলে-মেয়ে নিয়ে বাবার বাড়ি জাজিরার নাওডোবায় বাস করেন। স্বামী পীরের বাড়িতে গিয়ে মারা গেলেও নার্গিস এই মৃত্যুর জন্য শ্বশুরবাড়ির লোকদের ‘বান মারা’কে দায়ী করতেন। এ ছাড়া স্বামীর মৃত্যুর পর তাঁর ছোট ভাই ইসমাইলকে বিয়ে করতে চাইলে পরিবারটি রাজি হয়নি। এর সঙ্গে জমিজমার বিরোধও ছিল। গত মঙ্গলবার ওহাবের বাড়িতে বেড়াতে আসে নার্গিসের মেয়ে। পরদিন বুধবার সকালে মা ফোন দিলে মেয়ে বাড়িতে রওনা করে। চলে যাওয়ার আগে সে চাচার স্ত্রী ময়না বেগমের কাছ থেকে তার সন্তান কুতুবউদ্দিনকে কোলে নেয়। ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে সটকে পড়েন। নাওডোবার বাড়িতে গিয়ে সন্তান না পেয়ে ইসমাইল শিবচর থানায় বুধবার অভিযোগ করেন। পুলিশ একটি মাদরাসার সিসিটিভি দেখে নিশ্চিত হয় মেয়েটি ওই শিশুকে নিয়ে তার মা নার্গিসের কাছে দেয়। মা শিশুটিকে কাপড়ে ঢেকে সটকে পড়েন, কিন্তু কোনো কিছুতেই তিনি বিষয়টি স্বীকার করছিলেন না। পরে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর তিনি ঘরের ভেতরের মধ্যে নির্মাণাধীন টয়লেটের মাটির নিচে শিশুটিকে পুঁতে রাখা হয়েছে বলে জানান।

শিবচর থানার ওসি মো. মিরাজ হোসেন বলেন, ‘লাশ ময়নাতদন্ত শেষে দাফনের প্রক্রিয়া চলছে। নার্গিসকে জেলহাজতে ও তাঁর মেয়েকে শিশু আদালতে পাঠানো হয়েছে।’



সাতদিনের সেরা