kalerkantho

বুধবার । ৭ আশ্বিন ১৪২৮। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৪ সফর ১৪৪৩

আমতলীতে ঝুঁকিপূর্ণ অর্ধশতাধিক সেতু

বরগুনার আমতলীতে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে অর্ধশতাধিক সেতু। এই সেতুগুলো দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষ ও যানবাহন চলাচল করছে। এগুলো দ্রুত সংস্কার করা না হলে যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। হায়াতুজ্জামান মিরাজের পাঠানো প্রতিবেদন

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আমতলীতে ঝুঁকিপূর্ণ অর্ধশতাধিক সেতু

বরগুনার আমতলী উপজেলায় চরম ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর মধ্যে রয়েছে আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের গাজীপুর মুসল্লিবাড়ী, চাউলা, মুন্সীরহাট, ইউপি অফিসসংলগ্ন, হলদিয়া ইউনিয়নের কাঁঠালিয়া, রহিমিয়া মাদরাসাসংলগ্ন, হলদিয়াহাট, মোল্লাবাড়ী। কুকুয়া ইউনিয়নের হাজারটাকা বাঁধ, কুকুয়াহাট মাদরাসাসংলগ্ন, আমড়াগাছিয়া বাজারসংলগ্ন। চাওড়া ইউনিয়নের লোদা, কাউনিয়া স্কুলসংলগ্ন, আউয়ালনগর। গুলিশাখালী ইউনিয়নের খেকুয়ানী, আঙ্গুলকাটা লঞ্চঘাট, বাইনবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন। আমতলী ইউনিয়নের মেলকারবাড়ী, আড়ুয়াবৈরাগী। আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের জুগিয়া, তালুকদারবাড়ীসংলগ্ন ও ঘোপখালী সেতু। উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সরেজমিনে গিয়ে ঘুরে দেখা গেছে, রেলিং স্লিপার ও আরসিসি ঢালাই উঠে যাওয়ায় সেতু দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষ ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ ছোট ছোট যানবাহন চলাচল করছে। এ ছাড়া প্রতিনিয়ত ইট, বালি, সিমেন্ট ও অন্য মালামাল বোঝাই করে ভারী যানবাহন ট্রলি ও ট্রাক্টর পারাপার হওয়ায় সেতুগুলোর অবস্থা নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় চার-পাঁচটি সেতু ধসে পড়েছে।

স্থানীয় লোকজন জানায়, সেতুগুলো নির্মাণের সময় নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় অবস্থা এতটাই খারাপ, যেকোনো মুহূর্তে তা ধসে যেতে পারে।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘উপজেলার প্রায় ৫০টি ঝুঁকিপূর্ণ সেতু চিহ্নিত করে ওই সব স্থানে গার্ডার নির্মাণের প্রস্তাবনা এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।’

 



সাতদিনের সেরা