kalerkantho

বুধবার । ১৪ আশ্বিন ১৪২৮। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। ২১ সফর ১৪৪৩

খাদ্যে বিষক্রিয়ায় এক মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু

হাসপাতালে ভর্তি ১৭, আটক ৬

নোয়াখালী প্রতিনিধি   

৪ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের এখলাশপুরে মদিনাতুল উলুম মাদরাসা ও কমপ্লেক্সে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অসুস্থ হয়ে আরো ১৭ জন মাদরাসাছাত্র নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। গত সোমবার রাতের এই ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। তা ছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গতকাল মঙ্গলবার ভোরে মাদরাসার ছয় শিক্ষককে আটক করেছে থানা পুলিশ।

নিহত মাদরাসাছাত্র নিশান নুর হাদী (৯) উপজেলার পূর্ব একলাশপুর গ্রামের আনোয়ার মিয়ার ছেলে। সে মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া মাদরাসা ও এতিম খানার নুরানি বিভাগের ছাত্র ছিল।

মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া মাদরাসা ও এতিম খানার সুপারিনটেনডেন্ট ইসমাইল হোসেন বলেন, সোমবার দুপুরের দিকে মাংস রান্না করা হয়। এশার নামাজের পর মাদরাসার আবাসিক বিভাগের ২০ জন ছাত্র ওই মাংস দিয়ে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমাতে যায়। এক পর্যায়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ১৮ জন ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়ে। সবাই পেট ব্যথায় বমি করতে থাকে। সঙ্গে সঙ্গে এক পল্লী চিকিৎসককে ডেকে আনা হয়। পরে পল্লী চিকিৎসকের পরামর্শে অসুস্থ ১৮ জন ছাত্রকে কয়েক ধাপে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এদের মধ্যে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই এক ছাত্রের মৃত্যু হয়।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. সৈয়দ মহিউদ্দিন আব্দুল আজিম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খাদ্যে বিষক্রিয়ার (ফুড ফয়জনিং) কারণে ছাত্ররা অসুস্থ হয়ে পড়ে। অসুস্থদের মধ্যে নিশান নামের এক মাদারাসাছাত্রকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। এ ছাড়া আরেক ছাত্র পারভেজ হোসেন মিরাজের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

বেগমগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ কামরুজ্জামান সিকদার বলেন, খাবারের সঙ্গে কোনো বিষাক্ত পদার্থ মেশানো হয়েছে কি না, তা তদন্ত করতে বাকি খাবার পরীক্ষার জন্য জব্দ করা হয়েছে। তা ছাড়া এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাদরাসার ছয় শিক্ষককে মঙ্গলবার ভোরে আটক করা হয়েছে।