kalerkantho

শুক্রবার । ২ আশ্বিন ১৪২৮। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১। ৯ সফর ১৪৪৩

নমুনা পরীক্ষায় অতিরিক্ত টাকা আদায়

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি   

২৯ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নমুনা পরীক্ষায় অতিরিক্ত টাকা আদায়

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় নানা অনিয়মের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। করোনার জন্য নমুনা দিতে আসা মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার স্বচ্ছতা বিষয়েও প্রশ্ন উঠেছে। নমুনা গ্রহণের ধীরগতিতেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কমিটির সদস্যরা। এসব বিষয়ে তদন্ত ও তদারকির জন্য পাঁচ সদস্যের মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সভাকক্ষে গতকাল সকাল ১১টায় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা সূত্রে জানা গেছে, করোনার নমুনা দিতে আসা মানুষের কাছ থেকে অন্যায়ভাবে টাকা নেওয়া হয়েছে। দরিদ্রদের কাছ থেকে টাকা ছাড়া নমুনা নেওয়ার নির্দেশনা থাকলেও তা মানা হয়নি। যাদের টাকা দেওয়ার সংগতি আছে তাদের কাছ থেকেও ১০০ টাকা করে নেওয়ার বিধান থাকলেও তা মানা হয়নি। নমুনা দেওয়া সব মানুষের কাছ থেকেই ১২০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। সাধারণত সরকারি টাকা গ্রহণ করতে হলে রসিদ দিতে হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে নমুনাদাতাদের কাউকে কোনো রসিদ দেওয়া হয়নি।

চুয়াডাঙ্গা স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, শুরু থেকে গত মঙ্গলবার পর্যন্ত ২১ হাজার ৬৮২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

কমিটির সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার বলেন, ‘যেকোনো সরকারি টাকা গ্রহণ করতে হলে রসিদ দিতে হয়। কিন্তু করোনার নমুনা সংগ্রহের টাকার কোনো রসিদ দেওয়া হয়নি।’

সিভিল সার্জন ও সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এ এস এম মারুফ হাসান বলেন, ‘লোকবল সংকটে নমুনা সংগ্রহের গতি বাড়ানো যায়নি। তবে চলতি মাসে বেশি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। বিশেষ ক্যাম্প স্থাপন করে অনেক স্থানে নমুনা নেওয়া হয়েছে। সরকারের নির্দেশনা অনুসারে, সেখানে কোনো টাকা নেওয়া হয়নি। তবে হাসপাতালে যারা নমুনা দিতে এসেছে তাদের কাছ থেকে ১০০ টাকা করে নেওয়ার নিয়ম আছে। নমুনার সাত লক্ষাধিক টাকা ইতিমধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।’ তবে নমুনা নেওয়ার সময় অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ তিনিও শুনেছেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন। সভায় কমিটির সদস্য হিসেবে জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার, পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান, হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. ফাতেহ আকরামসহ চিকিৎসক, সাংবাদিক ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।



সাতদিনের সেরা