kalerkantho

শুক্রবার । ২ আশ্বিন ১৪২৮। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১। ৯ সফর ১৪৪৩

কাজই হলো না

নলছিটিতে দরপত্রে সমঝোতা, ৫৪ লাখ টাকা ফেরত

ঝালকাঠি প্রতিনিধি   

২ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে কাঁচা রাস্তায় ইট বিছানো (সোলিং) ও কালভার্ট তৈরির কথা। গুচ্ছপ্রক্রিয়ায় কাজ ভাগ করা হয়েছিল। এতে অসন্তোষ দেখা দিলে দরপত্র বাতিল করে উপজেলা পরিষদ। গত ৩০ জুনের মধ্যে নতুন করে দরপত্র ডাকতে না পারায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) প্রায় ৫৪ লাখ টাকা ফেরত গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ৫৩ লাখ ৯৯ হাজার টাকায় ১৪টি গ্রুপে এডিপির দরপত্র ডাকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। এ জন্য গত ২৪ মে নলছিটি উপজেলা প্রকৌশলী মীর মো. আকতারুজ্জামান পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেন। ৬ জুন অফিস খোলা পর্যন্ত দরপত্র বিক্রি এবং ৭ জুন দরপত্র গ্রহণের সময় নির্ধারণ করা হয়। ওই দিন বিকেলে দরদাতাদের উপস্থিতে বাক্স খোলা হয়। উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম শাহিনের নেতৃত্বে স্থানীয় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা দরদাতাদের সমন্বয়ে গুচ্ছপ্রক্রিয়ায় ১৪টি লাইসেন্সে কাজ ভাগ করেন। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা পরিষদের এসংক্রান্ত গঠিত কমিটির সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান অসন্তুষ্ট হন। এমনকি স্থানীয় সংসদ সদস্য আমির হোসেন আমুর কাছেও এই প্রক্রিয়াটি নিয়ে অসন্তোষ দেখা দেয়। নিয়মানুযায়ী ৩০ জুনের মধ্যে এডিপির দরপত্রের কাজ শেষ করতে হবে। কিন্তু কার্যাদেশ না পাওয়ায় ঠিকাদাররা কেউই কাজ করতে পারেননি। ফলে ফেরত যায় প্রায় ৫৪ লাখ টাকা।

উপজেলা প্রকৌশলী মীর মো. আকতারুজ্জামান বলেন, ‘কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দরপত্র বাতিল করা হয়েছে।’

নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা সিকদার বলেন, ‘দরপত্র ডাকার পর পর্যাপ্ত সময় ছিল না কাজ করার মতো।’

নলছিটি উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা উত্তম কুমার মণ্ডল বলেন, ‘নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা তুলে কাজ শেষ না করায় অর্থ ফেরত গেছে।’

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও এসংক্রান্ত কমিটির সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘দরপত্রপ্রক্রিয়ায় ত্রুটি থাকায় তা বাতিল করা হয়েছে।’



সাতদিনের সেরা