kalerkantho

শনিবার । ৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৪ জুলাই ২০২১। ১৩ জিলহজ ১৪৪২

পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে এক্স-রে মেশিন

কোটালীপাড়া

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি   

২৩ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে এক্স-রে মেশিন

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোর রুমে পড়ে থাকা এক্স-রে মেশিন। ছবি : কালের কণ্ঠ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে মেশিনটি পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে। অর্ধকোটি টাকা মূল্যের এই মেশিনটি তিন বছর আগে বরাদ্দ পেলেও এখনো ব্যবহারই করেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এটি অযত্ন-অবহেলায় হাসপাতালের স্টোররুমেই পড়ে আছে। এদিকে হাসপাতালে এক্স-রে সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় প্রতিদিন শত শত রোগী বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছে। বাধ্য হয়ে অধিক মূল্যে বিভিন্ন ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টার থেকে তাদের এক্স-রে করিয়ে আনতে হচ্ছে।

জানা গেছে, ২০১৮ সালের জুন মাসে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি ডিজিটাল ৫০০ এমএ এক্স-রে মেশিন সরবরাহ করা হয়। কিন্তু তিন বছরেও মেশিনটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে ইনস্টল করে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন রেডিওগ্রাফার দিলীপ বাড়ৈ। ফলে মেশিনটি এ পর্যন্ত চালু করা সম্ভব হয়নি।

রেডিওগ্রাফার দিলীপ বাড়ৈ আরো বলেন, ‘এক্স-রে মেশিনটি ইনস্টল করে না দেওয়ার কারণে আমি এখনো এটি ব্যবহার করতে পারিনি। অন্যদিকে ইনস্টল করে না দেওয়ার ফলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ আমার কাছে এখনো মেশিনটি হস্তান্তরও করেনি। এতে আমি আমার কর্মস্থলে গিয়েও রোগীদের সেবা দিতে পারছি না। মেশিনটি চালু হলে এই উপজেলার সাধারণ মানুষ স্বল্প খরচে এক্স-রে করাতে পারতেন।’

উপজেলার কুরপালা গ্রামের শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘কয়েক দিন আগে আমার এক আত্মীয়ের হাত ভেঙে গেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। এখানকার চিকিত্সকরা দ্রুত এক্স-রে করতে বলেন। হাসপাতালের এক্স-রে মেশিন বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে বাইরের ডায়গনস্টিক সেন্টার থেকে ৪০০ টাকা খরচ করে এক্স-রে করিয়ে আনি। অথচ হাসপাতালের এক্স-রে মেশিন দিয়ে করালে মাত্র ৫৫ টাকা খরচ হতো।’

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুশান্ত বৈদ্য বলেন, ‘আমি বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা শিগগিরই মেশিনটি ইনস্টল করে দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।’